27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিঢাকা‑১৩ রিটার্নিং অফিসার মমুনুল হকের বিরুদ্ধে শো‑কার্স নোটিশ জারি

ঢাকা‑১৩ রিটার্নিং অফিসার মমুনুল হকের বিরুদ্ধে শো‑কার্স নোটিশ জারি

ঢাকা-১৩ নির্বাচনী এলাকার রিটার্নিং অফিসার আজ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মোঃ মমুনুল হকের বিরুদ্ধে শো‑কার্স নোটিশ জারি করেছেন। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি ১৩তম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।

নোটিশে মমুনুল হককে তিন দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে। ব্যাখ্যা না দিলে বা সন্তোষজনক না হলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

এই নোটিশটি ঢাকা-১৩ রিটার্নিং অফিসার এবং ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার মোঃ ইউনুস আলী একত্রে জারি করেছেন। উভয় কর্মকর্তা নির্বাচনী বিধি-নিয়মের কঠোর প্রয়োগের দায়িত্বে আছেন।

অভিযোগের মূল বিষয় হল, মমুনুল হক নির্বাচনী দিন থেকে তিন সপ্তাহ আগে প্রচার চালিয়েছেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী অনুমোদিত নয়। নির্বাচনী কোডে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ভোটারদের কাছে প্রচারমূলক কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময়ের আগে করা নিষিদ্ধ।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১২ জানুয়ারি বিকেল পাঁচটায় মমুনুল হক নির্বাচন কমিশনের ভবনের বাইরে জনগণের মাঝে পামফ্লেট বিতরণ করেন। এই কার্যক্রমটি মিডিয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে নোটিশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলকে ভোটারদের কাছে অপ্রয়োজনীয় বা সময়ের বাইরে প্রচারমূলক সামগ্রী বিতরণ করা নিষিদ্ধ। বিধি লঙ্ঘন করলে শাস্তি হিসেবে শো‑কার্স নোটিশ, জরিমানা বা নির্বাচনী তালিকা থেকে বাদ দেওয়া পর্যন্ত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

মমুনুল হক ও তার দল এই নোটিশের প্রতি কীভাবে সাড়া দেবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সাধারণত এমন নোটিশের পর প্রার্থী লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

নির্বাচনী কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে, তারা সকল প্রার্থীর আচরণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং কোডের কোনো লঙ্ঘন হলে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন। এই ধরনের নোটিশ নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যদি মমুনুল হক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না দেন, তবে শো‑কার্স নোটিশের পরবর্তী ধাপে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে জরিমানা, প্রচারমূলক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা বা নির্বাচনী তালিকা থেকে বাদ দেওয়া অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

এই ঘটনা ১৩তম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ঘটছে, যেখানে বিভিন্ন দল ও প্রার্থী ভোটারদের কাছ থেকে সমর্থন অর্জনের জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনী কোডের লঙ্ঘন দ্রুত সনাক্ত ও শাস্তি দেওয়া হলে নির্বাচনের ন্যায়সঙ্গততা রক্ষায় সহায়তা করবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জন্য এই নোটিশ রাজনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, কারণ শো‑কার্স নোটিশের ফলে প্রার্থীর প্রচার কার্যক্রমে সীমাবদ্ধতা আসতে পারে। তবে ব্যাখ্যা প্রদান ও কোডের অনুসরণে সাড়া দিলে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে।

পরবর্তী সময়ে মমুনুল হক তার লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেবেন এবং নির্বাচন কমিশন তা পর্যালোচনা করবে। ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে শো‑কার্স নোটিশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে প্রার্থীর অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments