28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধদুদক ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ১২টি আত্মসাৎ মামলা দায়ের, মোট ক্ষতি ৪৩৩ কোটি...

দুদক ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ১২টি আত্মসাৎ মামলা দায়ের, মোট ক্ষতি ৪৩৩ কোটি টাকার বেশি

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৩৫ জনের নামের ওপর ১২টি পৃথক মামলা দায়ের করেছে, যার মধ্যে পিকেএইচ halder (প্রশান্ত কুমার হালদার) অন্তর্ভুক্ত। মামলাগুলোতে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ ১৮ হাজার ৯ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এই অর্থের অধিকাংশ ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ পাস করিয়ে নেওয়া হয়। দুদক জানায়, ওই সময়কালে একাধিক ঋণ একাধিকবার পুনরায় অনুমোদিত হয়েছে।

দুদকের জেলা কার্যালয়, ঢাকা‑১, মামলাগুলোর নং ২০‑৩১ (মোট ১২টি) দায়ের করেছে। প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান (১ ও ২ নং) এবং উপ-সহকারী পরিচালক মো. ইমরান আকন (৩‑১২ নং) এই মামলায় বাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ প্রদান করার পদ্ধতি ছিল, প্রথমে কিছু কিস্তি পরিশোধের পরে ঋণটি পুনরায় রিসিডিইল করা। তবে বেশিরভাগ ঋণের ক্ষেত্রে কোনো কিস্তি পরিশোধ করা হয়নি, তবুও বোর্ড সভায় কোনো আপত্তি না দিয়ে ঋণটি পুনরায় অনুমোদিত হয়েছে।

ঋণ গ্রহণের সময় ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অনেক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের কোনো প্রমাণ না থাকলেও, তাদের নামে ঋণ অনুমোদন করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানের রেকর্ডে দেখা যায়, প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানায় বর্তমানে কোনো ব্যবসা কার্যকর নয়।

কিছু ক্ষেত্রে, ঋণ প্রদান করা প্রতিষ্ঠানগুলো একদমই কার্যকরী না থাকলেও, একবারই ঋণ পাস করা হয়। ফলে, ঋণগ্রহীতা কোনো প্রকৃত ব্যবসা চালাতে পারছেন না, বরং আত্মসাৎ কার্যক্রমে লিপ্ত হচ্ছেন।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, দুদক এই মামলাগুলোতে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ধারা ৪০৬, ৪০৯, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ এবং ১০৯, পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ধারা ৫(২) এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪(২) প্রয়োগের ভিত্তি দেখিয়েছে।

দুদকের মতে, ঋণগ্রহীতারা প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত কার্যক্রমের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও, ভুয়া নথি ও মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে ঋণ পাস করিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় একাধিক কিস্তি পরিশোধের পরও ঋণটি পুনরায় রিসিডিইল করা হয়েছে, যা আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

মামলাগুলো বর্তমানে ঢাকা জেলার আদালতে দাখিল হয়েছে। আদালতের পরবর্তী শুনানির তারিখ ও প্রক্রিয়া এখনো নির্ধারিত হয়নি, তবে দুদক দাবি করে যে, আইনি প্রক্রিয়া দ্রুততর করে দায়িত্বশীলদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

এই মামলায় উল্লেখিত সব প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং দেখা গেছে, অধিকাংশের ঠিকানা ও ব্যবসায়িক তথ্য বর্তমান সময়ে অকার্যকর। ফলে, ঋণগ্রহীতারা যে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ পেয়েছেন, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

দুদকের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সংকল্প প্রকাশ পেয়েছে। ভবিষ্যতে এধরনের আর্থিক জালিয়াতি রোধে তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments