জামাত‑ই‑ইসলাম নেতৃত্বাধীন ১১‑দলীয় জোটের সিট‑শেয়ারিং পরিকল্পনা ঘোষণার জন্য নির্ধারিত প্রেস কনফারেন্স আজ বিকেল ৪:৩০ টায় স্থগিত করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি জোটের সমন্বয়কারী হামিদুর রহমান আজাদ ও জামাতের সহ‑সচিব জেনারেল এক প্রেস রিলিজে জানিয়েছেন। স্থগিতের কারণ “অনিবার্য” বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
কনফারেন্সটি ঢাকা শহরের কাঙ্করাইলের ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সেখানে জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
আজ সকাল ১১:২৬ টায় জোটের মিডিয়া রিলিজে কনফারেন্সের সময় ও স্থান নিশ্চিত করা হয়েছিল। রিলিজে উল্লেখ করা হয়েছিল যে এই সভায় সিট‑শেয়ারিং চূড়ান্ত রূপে প্রকাশ করা হবে।
রিলিজে হামিদুর রহমান আজাদ, যিনি জোটের সমন্বয়কারী ও জামাতের সহ‑সচিব জেনারেল, তিনি এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণকে “অনিবার্য” বলে ব্যাখ্যা করেছেন।
জোটের পক্ষ থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কনফারেন্সের পুনঃনির্ধারণের কোনো নতুন তারিখ এখনো জানানো হয়নি।
এই স্থগিতের ফলে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় প্রক্রিয়ার ওপর প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
বিরোধী দল ও বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন যে সিট‑শেয়ারিং পরিকল্পনা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে প্রভাবিত করবে, বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিতে।
তবে জোটের প্রতিনিধিরা জোর দিয়ে বলেছেন যে পরিকল্পনা চূড়ান্ত হওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট সকল দলকে জানানো হবে।
নির্বাচনের সময়সূচি ও ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিট‑শেয়ারিং চুক্তি প্রকাশের গুরুত্ব জোটের জন্য অপরিহার্য বলে তারা উল্লেখ করেছে।
এই মুহূর্তে জোটের অন্যান্য সদস্য দলগুলোও কনফারেন্সে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, যা রাজনৈতিক সমন্বয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হয়।
সরকার ও অন্যান্য রাজনৈতিক গোষ্ঠী এই স্থগিতের প্রতি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
পরবর্তী সপ্তাহে জোটের নেতৃত্বের কাছ থেকে নতুন সময়সূচি বা অতিরিক্ত তথ্যের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের সময়সূচি ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সিট‑শেয়ারিং চুক্তির প্রকাশ রাজনৈতিক গতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শেষ পর্যন্ত, জোটের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে এক নতুন মোড়ের সূচনা হতে পারে, যা পরবর্তী রাজনৈতিক আলোচনার বিষয় হবে।



