19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপির মির্জা আব্বাস উসকানিমূলক মন্তব্যে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন

বিএনপির মির্জা আব্বাস উসকানিমূলক মন্তব্যে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বুধবার দুপুরে নয়া পল্টনে সাংবাদিকদের সামনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এই সময়ে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচারাভিযান তীব্রতর হচ্ছে।

আব্বাস কোনো প্রার্থীর নাম না উল্লেখ করে জানান, কিছু প্রার্থী তাদের মন্তব্য ও কর্মকাণ্ডে এমন রকমের উসকানিমূলক স্বর ব্যবহার করছেন যা নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের সম্ভাবনা তৈরি করে। এগুলো প্রায়শই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং জনমত গঠনকে প্রভাবিত করে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তিনি যে আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, সেখানে কিছু প্রার্থী তার সম্পর্কে অযৌক্তিক ও তীব্র মন্তব্য করছেন, যা ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা বাড়াতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, এসব মন্তব্যে ব্যক্তিগত আক্রমণ, গুজব এবং অপ্রমাণিত অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত।

মির্জা আব্বাসের মতে, উসকানিমূলক মন্তব্যের উদ্দেশ্য হল প্রতিপক্ষকে বিরক্ত করা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে অস্থিতিশীল করা। তিনি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেন, এই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের ওপর নজর রাখার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। কমিশনকে প্রয়োজনীয় তদন্ত চালিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের উৎস চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানানো হয়।

আব্বাসের দাবি অনুযায়ী, উসকানিমূলক মন্তব্যের ফলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা কমিয়ে দেয়। এ ধরনের আচরণ যদি নিয়ন্ত্রিত না হয়, তবে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করা সম্ভব।

বিএনপি নেতা উল্লেখ করেন, তিনি এই বিষয়ের ওপর কোনো রিয়্যাকশন বা মন্তব্য দিতে চান না এবং ভবিষ্যতে কোনো মন্তব্যও করবেন না। তিনি বলেন, এই বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত বিতর্কে সময় নষ্ট না করে মূল নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় মনোযোগ দেওয়া উচিত।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনটি সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গতভাবে সম্পন্ন হওয়া দরকার, যাতে ভোটারদের ইচ্ছা সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সকল প্রার্থীর সমান সুযোগ ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি।

মির্জা আব্বাসের এই অভিযোগের পর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো তাত্ক্ষণিক মন্তব্য বা পদক্ষেপের তথ্য প্রকাশিত হয়নি। কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ বা তদন্তের সূচনা প্রকাশিত হয়নি।

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থীদেরকে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর বা উত্তেজনামূলক মন্তব্য করা নিষিদ্ধ, এবং উসকানিমূলক মন্তব্যের ক্ষেত্রে শাস্তি নির্ধারিত আছে। উসকানিমূলক মন্তব্যের ক্ষেত্রে শাস্তি হিসেবে সতর্কবার্তা, জরিমানা বা নির্বাচনী তালিকা থেকে বাদ দেওয়া পর্যন্ত হতে পারে।

বিএনপির এই অভিযোগের ফলে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও নির্বাচনী শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নজরদারি বাড়াতে পারে, বিশেষ করে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। অন্যান্য দলও নিজেদের প্রার্থীদের আচরণ পর্যবেক্ষণ বাড়িয়ে তুলেছে।

বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করছেন, যদি উসকানিমূলক মন্তব্যের ওপর যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে তা ভোটারদের মধ্যে অবিশ্বাস বাড়িয়ে নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশ্বাসের ক্ষতি হলে ভোটারদের অংশগ্রহণের হার কমে যেতে পারে, যা গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের জন্য ক্ষতিকর।

অন্যদিকে, কিছু প্রার্থী ইতিমধ্যে মিডিয়ায় তাদের বক্তব্যের স্বাভাবিকতা রক্ষা করার দাবি করে, যে তারা কোনো বিধি লঙ্ঘন করছেন না। তারা যুক্তি দেন, রাজনৈতিক বিতর্কে তীব্রতা স্বাভাবিক এবং তা নির্বাচনী নীতিমালার লঙ্ঘন নয়।

নির

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments