মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মৌশি) মঙ্গলবার তার মনিটরিং ও ইভ্যালুয়েশন উইং থেকে নতুন বিদ্যালয় পরিদর্শন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। এই নির্দেশিকায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক তদারকি ও মানোন্নয়নের জন্য নিয়মকানুনকে কঠোর করা হয়েছে। নির্দেশিকাটি শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গুণগত মান বাড়াতে লক্ষ্য করে প্রণয়ন করা হয়েছে।
নতুন নীতিমালায় বিদ্যালয়গুলোকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে: এ, বি, সি, ডি/ই এবং ইউ (অনির্ধারিত)। প্রতিটি ক্যাটাগরির জন্য বছরে সর্বোচ্চ পরিদর্শনের সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে, যা সর্বোচ্চ বারোবার পর্যন্ত হতে পারে। ক্যাটাগরি নির্ধারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষাগত ফলাফল, অবকাঠামো এবং পূর্বের তদারকি রেকর্ড বিবেচনা করা হয়েছে, যাতে সমস্যাযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত সনাক্ত করা যায়।
এ ক্যাটাগরির স্কুলগুলোকে প্রতি তিন মাসে একবার, অর্থাৎ বছরে চারবার পরিদর্শন করা হবে। বি ক্যাটাগরির ক্ষেত্রে দুই মাসে একবার, মোট ছয়বার তদারকি করা হবে। সি ক্যাটাগরির বিদ্যালয়গুলোকে প্রতি পঁয়তাল্লিশ দিনে একবার, অর্থাৎ বছরে আটবার পরিদর্শন করা হবে। ডি/ই এবং ইউ ক্যাটাগরির জন্য প্রতি মাসে অন্তত একবার, অর্থাৎ বারোবার পরিদর্শন নির্ধারিত হয়েছে।
নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় পরিদর্শন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও দায়িত্ব ভাগ করা হবে, যাতে প্রত্যেক ক্যাটাগরির লক্ষ্য স্পষ্ট থাকে। পরিকল্পনা প্রস্তুত হলে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে তা ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম (ডিএমএস) অথবা সংশ্লিষ্ট অ্যাপের ড্যাশবোর্ডে আপলোড করতে হবে।
মৌশি প্রতিটি জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে ন্যূনতম পাঁচটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করার নির্দেশ দিয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান এখনও আইসাস (ICAS) জরিপের আওতায় আসেনি, সেগুলোকে ইউ ক্যাটাগরি হিসেবে চিহ্নিত করে মাসিক একবার বা প্রয়োজনে একাধিকবার তদারকি করা হবে। এই ব্যবস্থা নতুন বা দুর্বল বিদ্যালয়ের কার্যক্রমের উপর নজরদারি বাড়িয়ে শিক্ষার গুণগত মান



