27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাবাংলাদেশের ক্যাপ্টেন জামাল দেখলেন ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি, নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা

বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন জামাল দেখলেন ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি, নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা

কোকা-কোলার বিশ্ব ভ্রমণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি বুধবার সকালে ঢাকায় পৌঁছায়। ট্রফি বরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, যিনি প্রথমবারের মতো ট্রফিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পান।

ট্রফি দেখার পর জামাল তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, টিভিতে বহুবার দেখেছি, কিন্তু সরাসরি সামনে থেকে দেখা ভিন্ন রকমের অভিজ্ঞতা। তিনি উল্লেখ করেন, ট্রফি ছোট দেখায়, তবে হাতে ধরলে এর প্রকৃত আকার ও ওজন স্পষ্ট হয়; প্রায় চার কেজি ও সম্পূর্ণ স্বর্ণের তৈরি, যা তার গর্ব বাড়িয়ে দেয়।

এটি চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ট্রফি আসছে। জামাল বিশ্বাস করেন, এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ফুটবলারদের জন্য শক্ত অনুপ্রেরণা হবে। তিনি বলেন, যারা ফুটবলার হতে চায় এবং কঠোর পরিশ্রম করছে, তাদের জন্য এই ট্রফি একটি দৃশ্যমান লক্ষ্যমাত্রা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভার। জামাল গিলবার্তোর সঙ্গে কথোপকথনে তার শৈশবের ব্রাজিলের প্রতি আকর্ষণ তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রথম প্রিয় খেলোয়াড় ছিলেন রোনালদো নাজারিও, এবং ২০০২ সালের ব্রাজিল দল—রোনালদো, রিভালদো, রোনালদিনিয়ো, গিলবার্তো—তাদের পারফরম্যান্স তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

জামাল গিলবার্তোর সঙ্গে ব্রাজিলের ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসা ভাগ করে নেন, তবে তিনি দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এখন তার ইচ্ছা ডেনমার্কের জয়, এবং ডেনমার্ক না জিতলে ব্রাজিলের দিকে তাকাবেন। এই মন্তব্য তার ফুটবলের প্রতি ন্যায়সঙ্গত দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।

ট্রফি বরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য অতিথিরা ট্রফির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের প্রতীকী মানকে স্বীকার করেন। জামাল উল্লেখ করেন, ট্রফি দেখার পর তার মধ্যে নতুন লক্ষ্য গড়ে উঠেছে, যা তিনি দেশের তরুণ খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভাগ করতে চান।

জামাল আরও বলেন, ট্রফি দেখার পর তিনি নিজে এবং দলের জন্য নতুন পরিকল্পনা তৈরি করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করা যায়। তিনি দলের প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত উন্নয়নে মনোযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

এই অনুষ্ঠানের পর জামাল এবং গিলবার্তো একসাথে ছবি তোলেন, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পায়। ছবিতে জামাল ট্রফির পাশে দাঁড়িয়ে গর্বিত মুখে দেখা যায়, যা দেশের ফুটবলের উত্সাহকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

ট্রফি বরণ অনুষ্ঠানের সময় জামাল ট্রফির ওজন ও উপাদান সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ট্রফি সম্পূর্ণ স্বর্ণের তৈরি, যা ফুটবলের শীর্ষ সম্মানকে প্রতীকী করে। এই তথ্য তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য একটি স্পষ্ট উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়।

অনুষ্ঠানের শেষে জামাল তরুণ ফুটবলারদের উদ্দেশ্যে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা দেন। তিনি বলেন, কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও দলগত কাজের মাধ্যমে বিশ্বকাপের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করা সম্ভব। তার এই বক্তব্য তরুণদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে লক্ষ্য রাখে।

বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে আসার পর দেশীয় মিডিয়া ও ফুটবল সমর্থকরা এই ঘটনাকে বড় উৎসবের মতো উদযাপন করে। সামাজিক মাধ্যমে ট্রফির ছবি ও জামালের মন্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা দেশের ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।

জামাল ভবিষ্যতে আরও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দেশের উপস্থিতি বাড়াতে চান এবং তরুণ খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ শীঘ্রই বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের নাম লিখতে পারবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments