22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাচট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এই বছরের সরকারি তহবিল জমা ১৮০৪ কোটি টাকা

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এই বছরের সরকারি তহবিল জমা ১৮০৪ কোটি টাকা

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এই আর্থিক বছরে সরকারী কোষাগারে মোট ১,৮০৪ কোটি টাকা জমা দিয়েছে। এই পরিমাণের মধ্যে ভ্যাট হিসেবে ৮০৯ কোটি এবং অন্যান্য কর হিসেবে ৭৯৫ কোটি অন্তর্ভুক্ত। তদুপরি, বন্দর কর্তৃপক্ষ এককালীনভাবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে ২০০ কোটি টাকা প্রদান করেছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই জমা সরকারী তহবিলের স্বচ্ছতা ও আর্থিক দায়িত্বশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ভ্যাট ও করের সমন্বিত অবদান বন্দর পরিচালনার আর্থিক স্বাস্থ্যের দৃঢ়তা নির্দেশ করে। এককালীন নগদ প্রদান শহরের অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেবা সম্প্রসারণে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাঁচ বছরের গড়ে, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে অর্জিত রাজস্বের বার্ষিক বৃদ্ধি প্রায় ১৩.০৮ শতাংশ রেকর্ড করেছে। একই সময়ে, রাজস্ব উদ্বৃত্তের গড় বৃদ্ধির হার ১৮.৪২ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আয়-ব্যয়ের পার্থক্যকে ইতিবাচকভাবে বাড়িয়ে তুলেছে। অন্যদিকে, ব্যয়ের গড় বৃদ্ধির হার ৭.৫৯ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে যে, সেবার মান বজায় রেখে আয় বৃদ্ধি এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর জন্য কড়া আর্থিক শৃঙ্খলা অনুসরণ করা হচ্ছে। এই নীতি অনুসরণে ব্যয়ের নিম্নগামী প্রবণতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে, যা আর্থিক স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

বাজার বিশ্লেষকরা দেখছেন, বন্দর থেকে ধারাবাহিকভাবে উচ্চ রাজস্ব প্রবাহ দেশের বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়াবে। বিশেষ করে রপ্তানি-আমদানি কার্যক্রমে বন্দরকে মূল প্রবেশদ্বার হিসেবে ব্যবহার করা হলে, আর্থিক অবদান আরও বাড়বে।

অতিরিক্তভাবে, এককালীন নগদ প্রদান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নগর উন্নয়ন প্রকল্পে ত্বরান্বিত করবে। সড়ক, পোর্টাল, এবং জনসেবা অবকাঠামোতে এই তহবিলের ব্যবহার শহরের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়াবে বলে প্রত্যাশা।

বন্দরের আর্থিক নীতি ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের ফলে ভবিষ্যতে ব্যয়ের বৃদ্ধি সীমিত থাকবে, যা লাভজনকতা বাড়াবে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে, বিনিয়োগকারী ও বাণিজ্যিক অংশীদারদের জন্য বন্দরকে একটি নিরাপদ ও লাভজনক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা সম্ভব।

জাতীয় উন্নয়নের বৃহত্তর লক্ষ্যকে সমর্থন করতে বন্দর আরও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলে কর্তৃপক্ষ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছে। বন্দর পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা উন্নত হলে, দেশের বাণিজ্যিক ভারসাম্য ও মুদ্রা রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সারসংক্ষেপে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এই বছরের তহবিল জমা, ভ্যাট ও করের অবদান, এবং এককালীন নগদ প্রদান দেশের আর্থিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ধারাবাহিক রাজস্ব বৃদ্ধি ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বন্দর দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments