উদযাপনমূলক অনুষ্ঠান আগামী বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ঢাকার উপশহর আমিনবাজারের একটি রিসোর্টে রাফসান সাবাব ও গায়ক জেফার রহমানের বিয়ে সম্পন্ন হবে। দুজনই এই অনুষ্ঠানের পর আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সম্পর্কের খবর প্রকাশ করবেন। বছরের পর বছর গুজবের পর এখন দুজনের মিলনকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে এই অনুষ্ঠান।
রাফসান সাবাবের পূর্ববর্তী দাম্পত্য জীবন ২০২৩ সালের শেষ দিকে শেষ হয়। তিন বছর ধরে ডাক্তর সানিয়া এশার সঙ্গে গড়ে তোলা সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটতে দেখা যায়, এবং রাফসান নিজে ফেসবুকে প্রকাশ করেন যে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত সহজ ছিল না, তবে দুজনের জন্য আলাদা হওয়াই সর্বোত্তম সমাধান বলে তিনি মনে করেন।
সানিয়া এশা, যাকে রাফসান তার পূর্ব স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেন, বিচ্ছেদের খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে জানান যে তিনি বিচ্ছেদ চাননি। তার এই মন্তব্যের পরে রাফসান ও জেফারের সম্পর্ক নিয়ে গুজবের তীব্রতা বাড়ে।
বিচ্ছেদের পর থেকে রাফসান ও জেফারের মধ্যে কোনো রোমান্টিক সম্পর্কের গুজব মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের কাছ থেকে এই গুজবের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, এবং সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্যের স্রোত বাড়ে।
১৫ নভেম্বর ২০২৪, বাংলাদেশ সময় দুপুর একটায়, ব্যাংককের সিয়াম পারাগন শপিং মলে পেরি পেরি ফুড শপের ভিতরে রাফসান ও জেফারকে একসাথে দেখা যায়। এই দৃশ্যটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায় এবং গুজবকে আরও তীব্র করে।
জেফার এই দৃশ্যের পর স্পষ্টভাবে জানান যে তার এবং রাফসানের মধ্যে কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন যে তিনি রাফসানের বন্ধু ও সহকর্মী, এবং গুজবের ভিত্তি শূন্য। তিনি মিডিয়ার কাছে অনুরোধ করেন যে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে না দেওয়া হোক।
রাফসানও সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করে দেখেন যে জেফারকে নিয়ে প্রচুর মন্তব্য ও মজার কথাবার্তা চলছে। তিনি উল্লেখ করেন যে তার চেহারার ওপর ভিত্তি করে কিছু লোক রসিকতা করছেন, এবং এই ধরনের গুজবের ফলে তার ব্যক্তিগত জীবনে অস্বস্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
বিবাহের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দুজনই রিসোর্টের ভেন্যু নির্বাচন, অতিথি তালিকা এবং অনুষ্ঠানের সাজসজ্জা নিয়ে কাজ করছেন। অনুষ্ঠান শেষে তারা মিডিয়ার সামনে এসে তাদের নতুন জীবনের সূচনা ঘোষণা করবেন।
বিনোদন জগতে এই দম্পতির মিলনকে একটি বড় ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাফসান সাবাবের টেলিভিশন হোস্টিং ক্যারিয়ার এবং জেফার রহমানের গায়কী সাফল্য দুজনের মিলনকে মিডিয়ার দৃষ্টিতে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
দুইজনের বিয়ে শুধু ব্যক্তিগত সুখ নয়, বরং শিল্প জগতের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে গণ্য হবে। উভয়ই তাদের পেশাগত দায়িত্ব বজায় রেখে নতুন জীবনের পথে অগ্রসর হচ্ছেন, যা ভক্তদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রত্যাশা পেয়েছে।



