নিউক্যাসল ইউনাইটেড সাম্প্রতিক সময়ে কারাবাও কাপের সেমি-ফাইনালের প্রথম লেগে হারের মুখোমুখি হয়েছে, যা ক্লাবের গৃহস্থালি কাপের অভিযানে নতুন একটি বাধা তৈরি করেছে।
২০২১ সালে সৌদি বিনিয়োগকারীদের মালিকানায় আসার পর থেকে নিউক্যাসল তিন বছরের মধ্যে তিনটি সেমি-ফাইনাল পৌঁছেছে, যা পূর্বের মাইক অ্যাশলি যুগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে গণ্য হয়।
ক্লাবের সর্বশেষ সাফল্য ১৬ মার্চ ২০২৪-এ দেখা যায়, যখন তারা ৫৬ বছর পর প্রথম ট্রফি জিতে কারাবাও কাপের শিরোপা অর্জন করে। ঐ ম্যাচে আলেকজান্ডার ইসাক শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে বিজয়ী করে তুলেছিলেন।
ট্রফি জয়ের পর নিউক্যাসল শহরে উদযাপন ছড়িয়ে পড়ে; ওসবর্ন রোড থেকে বিগ মার্কেট পর্যন্ত পাব ও বারে ভিড় জমে, যেন শ্যাম্পেনের বুদবুদ শহরের রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে।
কোয়াটার ফাইনালে ফালহ্যামকে পরাজিত করতে লুইস মাইলি অতিরিক্ত সময়ে হেডার দিয়ে গোল করেন, যা দলকে সেমি-ফাইনালে পৌঁছানোর পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই জয় নিউক্যাসলের জন্য চার বছরের মধ্যে তৃতীয় সেমি-ফাইনাল অর্জনের সূচক, যা মাইক অ্যাশলির দীর্ঘমেয়াদী অধিগ্রহণের সময়ের শূন্যতা পূরণে সহায়তা করে।
সেমি-ফাইনালের আগে লেইজেস এন্ডের সমর্থকরা টাইনের সেতুর ঝলমলে রূপকল্পসহ একটি নকশা তৈরি করে, যার নিচে ক্লাবের স্লোগান যুক্ত ছিল, যা ভক্তদের ঐক্য ও গর্বকে প্রকাশ করে।
পূর্বের সেমি-ফাইনাল গেমে, যখন নিউক্যাসল স্ট হ্যাম্পশায়ারকে জানুয়ারির শেষ দিনে হোম গ্রাউন্ডে পরাজিত করেছিল, তখন স্টেডিয়ামের শব্দমাত্রা রেকর্ডের শীর্ষে পৌঁছায়, যা কারাবাও কাপের ইতিহাসে অন্যতম শোরগোলপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে স্মরণীয়।
প্রথম লেগে পরাজয়ের পর দলকে এখন দ্বিতীয় লেগে জয় নিশ্চিত করতে হবে; কোচ এডি হোয়ের নেতৃত্বে খেলোয়াড়রা কৌশলগত পরিবর্তন আনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যাতে ক্লাবের কাপ যাত্রা পুনরায় সাফল্যের পথে ফিরে আসে।



