20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি নেতা আমীর খসরু সিভিল সোসাইটির ভূমিকা স্বৈরাচার বিরোধে জোর দিলেন

বিএনপি নেতা আমীর খসরু সিভিল সোসাইটির ভূমিকা স্বৈরাচার বিরোধে জোর দিলেন

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের (বিসিএফসিসি) কার্নিভাল হলে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আয়োজনে ‘নাগরিক ইশতেহার ২০২৬: জাতীয় নির্বাচন ও রূপান্তরের প্রত্যাশা’ শীর্ষক খসড়া ইশতেহার উপস্থাপন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সিভিল সোসাইটির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

খসরু চৌধুরী উল্লেখ করেন, সিভিল সোসাইটিকে কাজ করতে না দেওয়া স্বৈরাচারী পথে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তিতে দেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সিভিল সোসাইটির সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

বক্তা আরও বলেন, সিভিল সোসাইটির কাজ শুধুমাত্র ফাংশন নয়, তাকে সুবিধা প্রদান করাও দরকার। এ জন্য তিনি তার দলের নীতি প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে দলটি সরকারে থাকুক বা বিরোধী অবস্থানে থাকুক, সিভিল সোসাইটির সঙ্গে পার্টনারশিপ বজায় রাখবে। তিনি উল্লেখ করেন, একা কোনো সরকার সব সমস্যার সমাধান দিতে পারবে না; সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

খসরু চৌধুরী বলেন, পার্টনারশিপের মধ্যে সিভিল সোসাইটি, প্রাইভেট সেক্টর, এনজিও, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা, এবং কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি এই ক্ষেত্রগুলোকে রূপরেখা হিসেবে তুলে ধরে বলেন, ভবিষ্যতে এসব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য) বাস্তবায়ন করা হবে।

এছাড়া তিনি রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি জনগণের আস্থা হ্রাসের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, জনগণ রাজনৈতিক নেতাদের উপর বিশ্বাস রাখতে চায় না, তাই তার দল প্রশ্নোত্তর সেশনসহ সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চায়। প্রতিটি আলোচনায় কমপক্ষে এক ঘণ্টা প্রশ্নোত্তর পর্ব রাখা হবে বলে তিনি জানান।

এই সেমিনারটি নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ আয়োজিত এবং এসডিজি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারকে একত্রিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রূপান্তরের প্রত্যাশা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

বিএনপি দলের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যদি দলটি সরকার গঠন করে, তবুও সিভিল সোসাইটি, প্রাইভেট সেক্টর এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিত কাজের নীতি বজায় থাকবে। এই নীতি দলকে বহুমুখী সমাধান খুঁজতে এবং নীতি বাস্তবায়নে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কার্যকরী করতে সাহায্য করবে।

খসরু চৌধুরীর এই বক্তব্যের ফলে রাজনৈতিক পরিবেশে সিভিল সোসাইটির ভূমিকা ও জবাবদিহিতা নিয়ে আলোচনা তীব্রতর হতে পারে। ভবিষ্যতে সরকার ও বিরোধী দল উভয়েরই সিভিল সোসাইটি ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে নীতি গঠন ও বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া গড়ে তোলার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments