ভারতীয় ক্রিকেট দলের সিনিয়র ম্যানেজার সিতাংশু কোতক রোজের দ্বিতীয় ভারত‑নিউজিল্যান্ড ওডিআই ম্যাচের আগে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির পরিকল্পনামূলক অংশগ্রহণের বিষয় নিশ্চিত করেন। কোতক জানান, উভয় খেলোয়াড় হেড কোচ গৌতম গ্যাম্ভীরের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করেন এবং ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির জন্য কৌশল ভাগ করে নেন।
কোচ গ্যাম্ভীরের সঙ্গে এই মিটিংগুলো মূলত ওডিআই ফরম্যাট, আসন্ন সাউথ আফ্রিকা ট্যুর এবং ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে হয়। কোতক উল্লেখ করেন, তিনি প্রায়ই এই আলোচনায় উপস্থিত থাকেন এবং উভয় ক্যাপ্টেনের অভিজ্ঞতা শোনার সুযোগ পান। “তারা গ্যৌতমের সঙ্গে ফরম্যাট, ম্যাচের সূচি এবং সাউথ আফ্রিকায় যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন,” কোতক বলেন।
কোতক আরও স্পষ্ট করে বলেন যে রোহিত ও কোহলির মধ্যে কোনো যোগাযোগের ঘাটতি নেই। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে নানা অনুমান ছড়িয়ে পড়ে, তবে কোতক তা অস্বীকার করে বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কথা শোনা যায়, কিন্তু বাস্তবে তারা নিয়মিত কথা বলে।” তিনি যোগ করেন, উভয় খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের মান দলকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেয়।
দুই ক্যাপ্টেনের টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরেও তারা ওডিআই ও টি২০ ফরম্যাটে দলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। কোতক জানান, রোহিত ও কোহলি উভয়েই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে দলের শিবিরে যোগ দেন, তবে তাদের পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি একসাথে সমন্বয় করা হয়। “তারা উভয়েই খুবই সিনিয়র এবং অভিজ্ঞ। তারা সব ভেন্যুতে প্রশিক্ষণ নিতে চান,” কোতক বলেন।
কোচ গ্যাম্ভীরের সঙ্গে রোহিত ও কোহলির সমন্বয় দলীয় কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে। কোতক উল্লেখ করেন, গ্যাম্ভীরের সঙ্গে তাদের আলোচনা কেবল ম্যাচের পরিকল্পনা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য, যেমন ২২ মাস পরে সাউথ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের প্রস্তুতি, অন্তর্ভুক্ত করে। এই পরিকল্পনা দলকে একত্রে কাজ করার ভিত্তি প্রদান করে।
কোতক শেষ পর্যন্ত বললেন, রোহিত ও কোহলির অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের সমন্বয় দলকে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শক্তিশালী করে। “আমি সবসময় তাদের কথা শোনি এবং তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিখি,” তিনি সংক্ষেপে মন্তব্য করেন। এই মন্তব্যগুলো ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা সম্পর্কে ইতিবাচক সংকেত দেয় এবং দলের প্রস্তুতি প্রক্রিয়ায় উভয় ক্যাপ্টেনের ভূমিকা স্পষ্ট করে।



