28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাসেনেগাল‑ইজিপ্ট আফকন ফাইনালে পেনাল্টি শুটআউটে মানে ও সালাহের মুখোমুখি

সেনেগাল‑ইজিপ্ট আফকন ফাইনালে পেনাল্টি শুটআউটে মানে ও সালাহের মুখোমুখি

আফকন ফাইনাল ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২-এ ক্যামেরুনের ইয়াউন্দে অবস্থিত ওলেমবে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সেনেগাল ও ইজিপ্ট ০-০ ড্রের পর পেনাল্টি শুটআউটে মুখোমুখি হয়, যেখানে দুই দলই চারটি করে শট সফল করে। তৃতীয় শটের পর ইজিপ্টের মোহাম্মদ আবদেলমনেম বলটি পোস্টে আঘাত করে, ফলে শুটআউটের ভারসাম্য ভেঙে যায়।

সেনেগালের সাদিও মানে পঞ্চম শটে গোল করে ম্যাচটি জয়ী করেন। মানে আগে পাঁচ মিনিটে একটি পেনাল্টি মিস করেছিল এবং ২০১৭ সালে ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি শুটআউটে ব্যর্থতা ভোগ করেছিল। শুটআউটের আগে তিনি ঘুমের অভাব ও মানসিক চাপের কথা জানিয়ে, ধ্যানের মাধ্যমে মনোসংযোগ বাড়িয়ে শেষ শটে কোণায় দৌড়ে বলটি গাবালের ডান পাশে পোস্টের ঠিক ভেতরে পাঠান।

ইজিপ্টের গোলরক্ষক মোহাম্মদ আবু গাবাল প্রথমে বৌনা সারের শট আটকে রাখে, তবে ইজিপ্টের এডুয়ার্ড মেন্ডি চতুর্থ শটে মোহানাদ লাশিনের শট রক্ষা করেন। চারটি শটের পর সেনেগাল ৩-২ অগ্রগতি পায়, এবং মানের সফল শটের মাধ্যমে দলটি প্রথমবারের মতো আফকন জয়লাভ করে।

ইজিপ্টের তারকা মোহাম্মদ সালাহ শুটআউটের সময় শার্টের হেম টেনে মুখ ঢাকা রাখেন, ফলে তিনি শুটআউটে অংশ নিতে পারেননি। তার এই অপ্রস্তুতি ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেন।

সেই বছরের ২৯ মার্চ দাকার স্টেড আবদুলায়ে ওয়েডে ক্যাফ ওয়ার্ল্ড কাপ কোয়ালিফাইং প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে সেনেগাল ১-০ জয় পায়। হামদি ফাথি চতুর্থ মিনিটে নিজের গোল করে স্কোরকে ১-০ করে তোলেন, ফলে দুই লেগের সমষ্টি ১-১ হয় এবং পেনাল্টি শুটআউটে ফিরে আসে।

সালাহ এই শুটআউটে পূর্বের ভুল পুনরাবৃত্তি না করার জন্য পঞ্চম শটের অপেক্ষা করেন। সেনেগালের ক্যালিডু কুলিবালি প্রথম শটে মিস করার পর সালাহ লেজার পেনের আলোতে শুটআউট করেন, তবে তার শটটি গল পোস্টের বাইরে যায়। ফলে শুটআউটের ফলাফল প্রথম শুটআউটের মতোই, সেনেগাল জয়ী হয়।

মানের শুটআউটের পর তিনি উল্লেখ করেন যে টুর্নামেন্টের জন্য তিনি রাতে মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ঘুমাতে পারতেন, এবং মানসিক চাপের কারণে ঘুমের ঘাটতি ছিল। তিনি বলেন, পুরো টুর্নামেন্টে তিনি একে একে ধ্যানের মাধ্যমে মনকে স্থির রাখার চেষ্টা করেছেন, যা শেষ শটে সফলতা এনে দেয়।

সালাহের শুটআউটের পর তার মুখে দৃশ্যমান হতাশা দেখা যায়, যদিও তিনি আগে থেকেই জানতেন যে পঞ্চম শটে গল করার সুযোগ কম। তার এই অভিজ্ঞতা তাকে ভবিষ্যতে পেনাল্টি শুটআউটে আরও সতর্ক হতে বাধ্য করবে।

সেনেগালের কোচও শুটআউটের পর দলের মনোবল বাড়িয়ে বলেছিলেন, “এই জয় আমাদের জাতির গর্ব, এবং মানের দৃঢ়তা পুরো দলকে অনুপ্রাণিত করেছে।” ইজিপ্টের কোচও মানের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে, “মানের শুটআউটের পদ্ধতি ও মানসিক প্রস্তুতি প্রশংসনীয়।”

আফকন জয়ের পর সেনেগাল পরবর্তী আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকবে, যেখানে তারা আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা রক্ষা করার লক্ষ্য রাখবে। ইজিপ্টের জন্য এই পরাজয় টুর্নামেন্টের শেষ নয়; তারা আসন্ন বিশ্বকাপ কোয়ালিফাইং ম্যাচে পুনরায় সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করবে।

সারসংক্ষেপে, ২০২২ সালের আফকন ফাইনালে পেনাল্টি শুটআউটের মাধ্যমে সেনেগাল প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে, যেখানে মানের শেষ শটের সফলতা এবং সালাহের শুটআউটের ব্যর্থতা ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করেছে। এই মুহূর্তটি দুই দেশের ফুটবলের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments