18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সংলাপে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নারীদের অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিলেন

জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সংলাপে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নারীদের অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিলেন

ঢাকা-১২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাইফুল আলম খান মঙ্গলবার সকালে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ সংলাপে উল্লেখ করেন, ভোটাররা যদি সরকার গঠনের সুযোগ দেন, তবে ভবিষ্যতে নারীদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তি বাড়বে। সংলাপটি নাগরিক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংলাপের সময় সাইফুল আলম খান জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহারের মূল বিষয়গুলো তুলে ধরে বলেন, দলটি নারীদের অংশগ্রহণে অগ্রগতি করতে চায়। এ সময় নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য নারীর নমিনেশন সংক্রান্ত প্রশ্ন তোলেন। সাইফুল আলম চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে জানান, “আমরা একা পিছিয়ে নেই, বড় দলগুলিও একই অবস্থায় আছে; একসঙ্গে অগ্রসর হবো, ইনশা আল্লাহ।” এই মন্তব্যের পর উপস্থিতদের মধ্যে কেউ মন্তব্য করেন, “আপনারা কাউকেই দেননি,” যার উত্তরে সাইফুল আলম উল্লেখ করেন, দলটি স্থানীয় নির্বাচনে নারীদের প্রার্থী হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে, তারা নির্বাচিত হয়েছে এবং কাজ করেছে; এখন জাতীয় সংসদে তাদের নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রশ্নের ধারাবাহিকতায় সাইফুল আলম দুইজন হিন্দু প্রার্থীর মনোনয়নের উদাহরণ দিয়ে বলেন, নারীর অংশগ্রহণের সময়সীমা নির্ধারিত হবে এবং যথাযথ সুযোগ পেলে নারীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে। এই বক্তব্যের পর দর্শক সারি থেকে হাসি শোনা যায়।

অন্যদিকে, প্রধান অতিথি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী রাজনীতিবিদদের জবাবদিহি নিয়ে জোর দেন। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক রাজনীতিবিদ ভাল কথা বলেন, তবে বাস্তবে জবাবদিহি না থাকলে সেগুলো অর্থহীন। তিনি অতীতের অনির্বাচিত সরকারগুলোকে উদাহরণ দিয়ে বলেন, সেই সময়ে জবাবদিহি অনুপস্থিত ছিল।

সংলাপের শেষে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আরেকজন প্রতিনিধির প্রশ্নে সরকারগুলোর “হানিমুন পিরিয়ড” শেষ হওয়ার পর নীতি পরিবর্তন ও সমালোচনা দমন করার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, ভবিষ্যতে এমন প্রবণতা না থাকায় কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। চৌধুরী এই প্রশ্নের উত্তরে রাজনৈতিক নেতাদের ওপর আস্থা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন, যদিও নির্দিষ্ট পদক্ষেপের উল্লেখ না করে আলোচনা শেষ হয়।

সংলাপের মূল বিষয়গুলো থেকে স্পষ্ট হয়, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং স্থানীয় পর্যায়ে ইতিমধ্যে সফলতা অর্জন করেছে। একই সঙ্গে, বিরোধী দলও জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুত্ব আরোপ করে, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কারের দিক নির্দেশ করে। ভবিষ্যতে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে নারীর প্রার্থী সংখ্যা বাড়বে কিনা, তা ভোটারদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল হবে। এই আলোচনার মাধ্যমে নাগরিকদের প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments