22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ

ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ সম্প্রতি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর ভর্তি সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা জানিয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন (TNIE) ক্ষেত্রের সুযোগ বৃদ্ধি করা এবং দু’দেশের উচ্চশিক্ষা সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা শক্তিশালী করা। বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে “ব্লু বাংলাদেশ চেয়ার” প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও উপস্থাপন করেছে।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম গত সপ্তাহে পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সফর করেন। সফরের সময় তিনি উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতার সম্ভাবনা অনুসন্ধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই সাক্ষাৎকারে উভয় পক্ষই শিক্ষার্থী বিনিময় ও গবেষণা প্রকল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

হাইকমিশনারের সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সহযোগিতা চিহ্নিত করা এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বিস্তৃত শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা। এছাড়া বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্পর্কেও আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর গ্রাহাম গ্যালব্রেইথ এবং ডেপুটি ভাইস-চ্যান্সেলর ক্রিস চ্যাংসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন। হাইকমিশনারের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনে উভয় পক্ষই শিক্ষার্থী প্রবেশের শর্ত ও সহায়তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বৈঠকের একটি মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য TNIE প্রোগ্রামের পরিধি বাড়ানো। বিশ্ববিদ্যালয়টি নতুন কোর্স ও ডিগ্রি প্রোগ্রাম চালু করার পরিকল্পনা করছে, যাতে বাংলাদেশে বসবাসরত শিক্ষার্থীরাও পোর্টসমাউথের মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

এছাড়া, পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে যৌথ গবেষণা, এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম এবং সেমিনার সিরিজ চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি “ব্লু বাংলাদেশ চেয়ার” প্রতিষ্ঠার অনুরোধও বাংলাদেশ সরকারের কাছে পাঠিয়েছে। এই চেয়ারটি সমুদ্র সংক্রান্ত শাসন, টেকসই উন্নয়ন ও নীল অর্থনীতির গবেষণায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে।

প্রস্তাবটি নভেম্বর ২০২৪-এ সরকারকে জমা দেওয়া হয় এবং বর্তমানে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। অনুমোদিত হলে চেয়ারটি আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের নীল সম্পদ ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টিকোণ প্রদান করবে।

উভয় পক্ষই যৌথ একাডেমিক প্রোগ্রাম, সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং বিশেষায়িত কোর্সের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নীতি নির্ধারণে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিশ্চিত করা লক্ষ্য।

ডেপুটি ভাইস-চ্যান্সেলর ক্রিস চ্যাং উল্লেখ করেছেন যে পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানায়। ব্যবসা, মানবিক বিজ্ঞান, প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন শাখায় বিস্তৃত কোর্স অফার করা হয়।

আর্থিক চাপ কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি বৃত্তি প্রদান করে এবং শিক্ষার্থীর ভিসা প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। এই সহায়তা প্যাকেজটি বিশেষত নিম্ন-আয়ের পরিবার থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত।

ভিসা সংক্রান্ত সহায়তা ছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়টি ক্যাম্পাসে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ হোস্টেল ও সাংস্কৃতিক অভিযোজন প্রোগ্রাম চালু করেছে। এসব ব্যবস্থা নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের সাহায্য করে।

এইসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য উভয় দেশই নিয়মিত সমন্বয় সভা চালিয়ে যাবে এবং প্রয়োজনীয় নীতি সমর্থন প্রদান করবে। ভবিষ্যতে আরও বেশি বাংলাদেশি তরুণকে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যদি আপনি পোর্টসমাউথের মতো বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে চান, তবে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে TNIE প্রোগ্রামের শর্তাবলী ও বৃত্তি সুযোগগুলো যাচাই করুন। এছাড়া ভিসা প্রক্রিয়া ও আর্থিক পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা সুবিধাজনক হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments