22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধচট্টগ্রামের দুই কিশোরের বয়স বাড়িয়ে জেল শাস্তি, জুবিলি বিচার দাবি

চট্টগ্রামের দুই কিশোরের বয়স বাড়িয়ে জেল শাস্তি, জুবিলি বিচার দাবি

চট্টগ্রামের বয়সামত বস্তামী থানা ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দুই কিশোরকে আটক করে, তাদের কাছ থেকে একটি ইলেকট্রিক টেজার বন্দুক উদ্ধার করা হয়। আটক হওয়ার পর পুলিশ তাদেরকে ১৮ বছর বয়সী হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করে, যদিও পরবর্তীতে জমা দেওয়া জন্মসনদে দেখা যায় একের বয়স ১৫ বছর ১১ মাস এবং অন্যের বয়স ১৭ বছর ৩ মাস।

বন্দি দুজনই বায়েজিদ বস্তামী মোহাম্মদিয়া হাফেজুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী; একজন এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষার্থী এবং অন্যজন পূর্বে একই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছিল।

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সত্তার ১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মেট্রোপলিটন পুলিশ আইন ধারা ৮৮(এ) অনুসারে দুজনকে ১৫ দিনের জেল শাস্তি দেন।

প্রতিনিধি আইনজীবী সওরভ চৌধুরী আদালতে উল্লেখ করেন, আইন অনুসারে দুজনই অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং তাদের বয়স বাড়িয়ে পুলিশ তাদেরকে ‘রাস্তার ছেলে’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে, ফলে তারা জেল শাস্তি পেয়েছে।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী অপ্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীকে জুবিলি আদালতে বিচার করা উচিত, তবে এই দুই কিশোরকে চট্টগ্রাম সেন্ট্রাল জেলে পাঠানো হয়।

বন্দি হওয়ার তৃতীয় দিন পর্যন্ত তারা অপরাধী ও দোষী ক্যাদিদের সঙ্গে একই সেল ভাগ করে, যা শিশু অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অনুমোদিত নয়।

বিচারিক পর্যালোচনার জন্য আইনজীবী অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহিদুল ইসলামকে আবেদনপত্র দাখিল করেন, যাতে শর্তসাপেক্ষে রিলিজ ও শাস্তি স্থগিতের অনুরোধ করা হয়।

তবে আদালত দুইটি বেইল ও শর্তসাপেক্ষ রিলিজের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে, ফলে কিশোরদের জেল শাস্তি কার্যকর থাকে।

বন্দি হওয়ার সময় তাদের বয়স সংক্রান্ত নথি ও অন্যান্য তথ্য আদালতে উপস্থাপন করা হয়, যা পরবর্তীতে তাদের প্রকৃত বয়স প্রমাণ করে।

বয়স বাড়িয়ে উপস্থাপনের প্রশ্নে বস্তামী থানার সাব-ইনস্পেক্টর শাহিদুল ইসলাম জানান, সন্দেহজনক চলাচল লক্ষ্য করে অনুসন্ধান চালানো হয় এবং টেজার পাওয়া যায়।

বর্তমানে কিশোরদের রিলিজের জন্য অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া চলমান, যেখানে শিশু বিচার সংক্রান্ত আইন প্রয়োগের যথার্থতা ও পুলিশি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচনা হবে।

এই বিষয়টি নিয়ে মানবাধিকার সংস্থা ও শিশু অধিকার সংস্থাগুলোও নজর রাখছে, যাতে ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করা যায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments