28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকঅস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশসহ চারটি দক্ষিণ এশীয় দেশের ছাত্র ভিসা স্তর বাড়িয়ে লেভেল‑৩ নির্ধারণ

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশসহ চারটি দক্ষিণ এশীয় দেশের ছাত্র ভিসা স্তর বাড়িয়ে লেভেল‑৩ নির্ধারণ

অস্ট্রেলিয়া সরকার ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশকে ছাত্র ভিসার সর্বোচ্চ ঝুঁকি শ্রেণিতে স্থানান্তর করেছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে ‘উদীয়মান অখণ্ডতা সমস্যা’ এবং ভিসা জালিয়াতি সংক্রান্ত উদ্বেগ উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারত, নেপাল ও ভুটানকে লেভেল‑৩-এ তোলা হয়েছে, যা অভিবাসন বিভাগের ডেপুটি সেক্রেটারি ড. আবুল রিজভির মতে অস্বাভাবিক এবং চক্রের বাইরে একটি পরিবর্তন।

এই চারটি দক্ষিণ এশীয় দেশ গত বছর অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক ছাত্র ভর্তি সংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশের অংশ গঠন করেছিল। তাই ভিসা নীতির এই পরিবর্তন দেশের শিক্ষার্থী প্রবাহে সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন।

অস্ট্রেলিয়ার হোম অ্যাফেয়ার্স বিভাগের মুখপাত্র জানিয়েছেন, “১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের ইভিডেন্স লেভেল (EL) পরিবর্তন করা হয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এই পদক্ষেপটি উদীয়মান অখণ্ডতা সমস্যাগুলোকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করবে, একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় গুণগত শিক্ষা অনুসরণকারী প্রকৃত ছাত্রদের সুযোগ বজায় রাখবে।”

এই পরিবর্তনটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিলের ভারত সফরের পর নেওয়া হয়েছে। হিলের সফরে হোম অ্যাফেয়ার্স কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়, যেখানে ভিসা নীতি শক্তিশালীকরণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার সরলীকৃত ছাত্র ভিসা কাঠামো (SSVF) অনুযায়ী, প্রতিটি দেশ ও শিক্ষা প্রদানকারীকে অখণ্ডতা সূচক, জালিয়াতি-জনিত প্রত্যাখ্যানের হার, ভিসা বাতিলের হার, অবৈধ অবস্থায় থাকা ছাত্রের সংখ্যা এবং পরবর্তীতে শরণার্থী আবেদন করার হার ইত্যাদি ভিত্তিতে ইভিডেন্স লেভেল নির্ধারিত হয়।

লেভেল‑৩ রেটিং পেলে আবেদনকারী এবং শিক্ষা প্রদানকারীকে আর্থিক সক্ষমতা ও একাডেমিক ইতিহাসের পূর্ণাঙ্গ নথিপত্র জমা দিতে হয়। উচ্চতর লেভেল মানে ভিসা পর্যালোচনাকারী কর্মকর্তার উপর প্রদানকারীর শব্দের ওপর বেশি নির্ভরতা এবং নথিপত্রের বিশদ যাচাইয়ের প্রয়োজন।

এই পর্যায়ে ভিসা অফিসাররা সরবরাহকারীর ট্রান্সক্রিপ্টের সত্যতা যাচাই করতে সরাসরি প্রতিষ্ঠানকে ফোন করতে পারেন, আর আর্থিক নথি নিশ্চিত করতে ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। অতিরিক্তভাবে, ম্যানুয়াল রিভিউ প্রক্রিয়া বাড়ে, যা আবেদন প্রক্রিয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে দিতে পারে।

বাংলাদেশের ছাত্রদের জন্য এই পরিবর্তন মানে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত নথি প্রস্তুত করতে হবে এবং সম্ভবত অধিক সময় অপেক্ষা করতে হবে। তবে অস্ট্রেলিয়া সরকার নিশ্চিত করেছে যে প্রকৃত শিক্ষার্থী যারা অস্ট্রেলিয়ার উচ্চমানের শিক্ষা অনুসরণ করতে চায়, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর এই একসাথে লেভেল বাড়ানো অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষানীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সমন্বয়কে নির্দেশ করে। ভবিষ্যতে এই নীতির কার্যকারিতা এবং এর ফলে আন্তর্জাতিক ছাত্র প্রবাহের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments