19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অফিসের অনিশ্চয়তা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অফিসের অনিশ্চয়তা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়, ফলাফল ১০ জানুয়ারি প্রকাশের পর ২১ জন প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করা হয়। তবে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা কোথায় বসে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন, তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা এখনো পাওয়া যায়নি। এই অনিশ্চয়তা জকসুর কার্যকর সূচনা এবং ছাত্রদের প্রত্যাশিত সেবা প্রদানকে প্রভাবিত করতে পারে।

১৯শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে পুরান ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত জগন্নাথ কলেজ ২০০৫ সালে সরকারী অনুমোদনে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। কলেজের সময়েও ছাত্র সংসদের নির্বাচন হতো, কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার পর ১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই ঐতিহাসিক নির্বাচন দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১০ জানুয়ারি জকসু নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শীঘ্রই দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নেবে, তবে তাদের অফিসের ঠিকানা এখনও নির্ধারিত হয়নি। ফলে প্রতিনিধিরা কীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে, তা নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, জকসু কার্যক্রমের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ভবন বা অফিস এখনো প্রস্তুত নয়। পূর্বে কিছু সময়ে ছাত্র সংসদের জন্য আলাদা কক্ষ বা ভবন ছিল, কিন্তু দীর্ঘ সময় নির্বাচন না হওয়ায় সেসব স্থান অব্যবহৃত বা অন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই নতুন অফিস নির্ধারণের কাজটি প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে অবকাশ ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ ছাত্র সংসদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল, কিন্তু তা এখন অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে। টেবিল-চেয়ার ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, এবং কক্ষের আকার ২১ জন প্রতিনিধির একসঙ্গে বসার জন্য যথেষ্ট নয়। এই পরিস্থিতি কার্যকর সভা ও দাপ্তরিক কাজের জন্য অপ্রতুল বলে বিবেচিত হচ্ছে।

নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দ্রুত একটি স্থায়ী অফিস নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান, প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজের জন্য একটি কেন্দ্রীয় অফিস অপরিহার্য। অস্থায়ী কোনো কক্ষে এইসব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা কঠিন হবে, ফলে ছাত্র সংসদের কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়তে পারে।

এই অফিস সংকটের কথা সাধারণ শিক্ষার্থীর মধ্যেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেক শিক্ষার্থী আশা করছেন যে, জকসু দ্রুত কাজ শুরু করবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাদের দাবিগুলি উপস্থাপন করবে। তবে অফিসের অনিশ্চয়তা থাকলে এই প্রত্যাশা পূরণে বিলম্ব হতে পারে, এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

ইতিহাস বিভাগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পূর্বে জকসু কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আলাদা ভবন বা নির্ধারিত কক্ষ ছিল, কিন্তু দীর্ঘ সময় নির্বাচন না হওয়ায় সেসব স্থান অব্যবহৃত হয়ে অন্য কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে এখনো কোনো নির্দিষ্ট অফিসের অভাব রয়েছে, যা নতুন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জন্য বড় বাধা সৃষ্টি করছে।

প্রশাসনের জন্য এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত জকসুর কার্যক্রমের গতি ধীর হতে পারে। প্রতিনিধিরা এবং শিক্ষার্থীরা একসাথে একটি সমাধান চাচ্ছেন, যাতে ছাত্র সংসদের কাজ স্বাভাবিকভাবে চালু হয় এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান দ্রুত হয়।

পাঠকগণ যদি আপনার ক্যাম্পাসে একই ধরনের অফিসের সমস্যার সম্মুখীন হন, তবে প্রথমে প্রশাসনের সঙ্গে লিখিতভাবে যোগাযোগ করে স্পষ্ট সময়সীমা ও পরিকল্পনা চাওয়া উপকারী হতে পারে। আপনার মতামত ও প্রস্তাবনা শেয়ার করে সমস্যার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারেন।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments