২০২৬ সালের গোল্ডেন গ্লোবস পুরস্কার অনুষ্ঠানে পল থমাস অ্যান্ডারসন ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ ছবির সেরা স্ক্রিনপ্লে শিরোনাম জিতে নিলেন। এই অনুষ্ঠানটি বেভারলি হিলটনে, বেভারলি হিলস-এ অনুষ্ঠিত হয় এবং রবিবার সন্ধ্যায় নিকি গ্লাসার মঞ্চস্থ করেন। অ্যান্ডারসন তার বিজয়ী ভাষণে চলচ্চিত্রের একটি রঙিন, অশ্লীল লাইনটির উৎপত্তি ব্যাখ্যা করেন, যা দর্শকদের কৌতূহল জাগিয়ে তুলেছে।
অ্যান্ডারসন জানান, ছবির জোরালো সংলাপের পেছনে তিনি এবং তার দল কতটা সৃজনশীলভাবে বিভিন্ন উৎস থেকে ধার নিয়েছেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে এই লাইনটি মূলত তার চরিত্র জে.পি.র জন্য একজন অভিনেত্রী থেকে এসেছে, যা পরে পুরো স্ক্রিপ্টে যুক্ত হয়েছে।
তিনি রচয়িতাদেরকে ‘ম্যাগপাই’ হিসেবে তুলনা করেন, যারা চারপাশের কথাবার্তা, কবিতা, গান—যেকোনো ছোটখাটো অংশ—একত্রে সংগ্রহ করে নতুন রূপে গড়ে তোলেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি তাকে তার কাজকে সমৃদ্ধ করার এক পদ্ধতি হিসেবে উপস্থাপন করেন।
শায়না ম্যাকহেইল, যাকে জঙ্গলপুসি নামেও পরিচিত, তিনি তার চরিত্রের জন্য একটি স্বতন্ত্র বাক্য প্রস্তাব করেন, যা অ্যান্ডারসন গ্রহণ করে স্ক্রিপ্টে অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি এই অবদানের জন্য ম্যাকহেইলকে ‘দারুণ লেখক’ বলে প্রশংসা করেন এবং স্বীকার করেন যে এই লাইনটি তার চলচ্চিত্রের স্মরণীয় মুহূর্তের অংশ হয়ে উঠেছে।
অ্যান্ডারসন আরও উল্লেখ করেন যে তিনি থমাস পিনচনের উপন্যাস ‘ভিনেল্যান্ড’ থেকে বহু শব্দ ও ধারণা ধার নিয়েছেন, যা ছবির ভিত্তি গঠন করেছে। পাশাপাশি, তিনি বিখ্যাত গায়িকা নিনা সিমোনের একটি উক্তি—‘ভয় না থাকা’—কে উদ্ধৃত করে স্বাধীনতার সংজ্ঞা হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এই সব উপাদানকে তিনি একত্রে মিশিয়ে একটি অনন্য কাহিনী তৈরি করেছেন।
এই বছরের সেরা স্ক্রিনপ্লে বিভাগে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন রোনাল্ড ব্রনস্টেইন ও জোশ সাফডি (‘মার্টি সুপ্রিম’), রায়ান কুগলার (‘সিনার্স’), জাফার পানাহি (‘ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান এক্সিডেন্ট’), এসকিল ভগ্ট ও জোয়াকিম ট্রিয়ার (‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’) এবং শ্লোয়ে ঝাও ও ম্যাগি ও’ফারেল (‘হ্যামনেট’)।
গত বছরের বিজয়ী ছিলেন পিটার স্ট্রগান, যিনি ‘



