28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাআইপিএল ইস্যুতে বাংলাদেশ‑ভারত বাণিজ্যে কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই, বাণিজ্য উপদেষ্টা জানালেন

আইপিএল ইস্যুতে বাংলাদেশ‑ভারত বাণিজ্যে কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই, বাণিজ্য উপদেষ্টা জানালেন

শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকা সেক্রেটারিয়েটের নতুন আমদানি নীতি আদেশ সংক্রান্ত বৈঠকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, আইপিএল (ইন্ডিয়ান প্রাইম লিগ) সংক্রান্ত কোনো বিষয়ের ফলে বাংলাদেশ‑ভারত বাণিজ্যে কোনো ক্ষতি দেখা যায়নি। তিনি বলেন, বর্তমান পর্যবেক্ষণে কোনো নেতিবাচক প্রবণতা ধরা পড়েনি এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে।

বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি নতুন আমদানি নীতি আদেশের প্রস্তুতি ও তার প্রভাব সম্পর্কে ধারণা শেয়ার করেন। সরকার বর্তমানে আমদানি নীতি সংশোধনের মাধ্যমে শর্ত শিথিল করে বাণিজ্যকে সহজতর করার পরিকল্পনা চালু করেছে, যা দ্রুত মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

উদার বাণিজ্যের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় বিশ্বাসকে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। “আমরা সব দেশের সঙ্গে সমান ও মুক্ত বাণিজ্য করতে চাই,” তিনি বলেন, এবং যোগ করেন যে দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো দ্বিপাক্ষিক সিদ্ধান্তে বাধ্য নই। এই নীতি সমগ্র অর্থনৈতিক নীতির ভিত্তি হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও জানান, ভারতীয় বাজারের সঙ্গে চলমান বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম কোনো ব্যাঘাতের সম্মুখীন হয়নি। তবে সরকার সবসময়ই ট্রেড মেজার বা নীতিগত পরিবর্তনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করে, যাতে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সময়মতো করা যায়। এই সতর্কতা ভবিষ্যতে কোনো অপ্রত্যাশিত ঝুঁকি এড়াতে সহায়ক হবে।

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্যের পরিস্থিতি নিয়ে সমগ্র বিশ্লেষণ করতে ১৯ জানুয়ারি একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে সংশ্লিষ্ট শিল্প, বাণিজ্যিক সংস্থা ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষার উপায় নির্ধারণ করা হবে।

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানও একই সময়ে আমদানি নীতি আদেশের খসড়া সংশোধনের কাজ দ্রুত অগ্রসর করার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, শর্ত শিথিলের মাধ্যমে ব্যবসা‑বাণিজ্য সহজতর করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাড়ানোই মূল লক্ষ্য। সংশোধিত নীতি শীঘ্রই মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

এই নীতিগত পরিবর্তন ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের জন্য ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আমদানি প্রক্রিয়ার সরলীকরণ ও শুল্ক হ্রাসের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমবে, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের পণ্যের দামে প্রতিফলিত হবে। বিশেষ করে রমজান সময়ে মূল পণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পদক্ষেপগুলো গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, আইপিএল সংক্রান্ত কোনো বাণিজ্যিক বাধা না থাকায় দু’দেশের রপ্তানি‑আমদানি পরিমাণে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। একই সঙ্গে, সরকারী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে যে ভবিষ্যতে কোনো নীতি পরিবর্তন দ্রুত সনাক্ত ও মোকাবেলা করা যায়।

সারসংক্ষেপে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ‑ভারত বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর আইপিএল ইস্যুর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি এবং সরকার উন্মুক্ত বাণিজ্য নীতি বজায় রেখে নতুন আমদানি নীতি আদেশের মাধ্যমে বাজারকে আরও সহজতর করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। ভবিষ্যতে রমজান মাসের বাজার পরিস্থিতি ও নীতিগত পরিবর্তনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হবে, যা ব্যবসায়িক পরিবেশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments