28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধশেরপুরের কলুরচরে অবৈধ বালু উত্তোলনে মোবাইল কোর্টে শাস্তি

শেরপুরের কলুরচরে অবৈধ বালু উত্তোলনে মোবাইল কোর্টে শাস্তি

শেরপুরের সদর উপজেলার কলুরচর এলাকায় রবিবার সন্ধ্যায় মোবাইল কোর্টের অধীনে এক ব্যক্তি অবৈধ বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা এবং চার মাসের কারাদণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এই রায়কে বালু দস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি প্রয়োগের সূচনা হিসেবে দেখেছে।

মোবাইল কোর্টটি শেরপুর সদর উপজেলার কলুরচর এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবা হক নেতৃত্ব দেন। কোর্টের কার্যক্রমে সদর থানার ওয়্যারিং অফিসার (ওসি) এবং সদর এসিল্যান্ডের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। সকল সরকারি কর্মকর্তার সমন্বয়ে দ্রুত তদন্ত ও রায় প্রদান করা হয়।

কোর্টে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি হলেন কলুরচর এলাকার সাত্তারের বাসিন্দা মো. সোহেল মিয়া, বয়স ৩৫ বছর। তিনি অবৈধভাবে সরকারি অনুমতি ছাড়া বালু উত্তোলন ও বিক্রির কাজে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহের পর যথাযথ শাস্তি আরোপ করা হয়।

অভিযানের সময় অবৈধ বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত দুটি মাহেন্দ্র জব্দ করা হয়। এই সরঞ্জামগুলোকে বালু দস্যুদের প্রধান সরঞ্জাম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের অপরাধ রোধে প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে।

অভিযানের সময় বালু উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজন ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হলেও, উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তার উপস্থিতি দেখে তারা পলায়ন করে। ফলে শুধুমাত্র সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তবে অন্যান্য সন্দেহভাজনদের অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়া হবে।

শেরপুরের বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৫(১) অনুযায়ী দণ্ড আরোপ করা হয়েছে। এই ধারাটি অবৈধ বালু উত্তোলন, বিক্রি ও পরিবহনকে অপরাধ হিসেবে নির্ধারণ করে এবং জরিমানা, কারাদণ্ড বা উভয়ের সংমিশ্রণকে শাস্তি হিসেবে নির্ধারণ করে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক অভিযানের সাফল্য নিশ্চিত করে জানান, বালু দস্যুদের বিরুদ্ধে আরও বৃহত্তর পরিসরে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা বাড়ানো হবে।

এই রায়ের পর সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে আপিলের সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বর্তমানে তিনি শাস্তি কার্যকর করার জন্য কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন বাকি সন্দেহভাজনদের সন্ধান চালিয়ে যাবে এবং বালু উত্তোলনের অবৈধ চক্র ভাঙতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments