19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গলাম রাব্বানিকে পদত্যাগের দাবি, দুকসু ইউনিয়ন ২৪ ঘণ্টার ultimatum

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গলাম রাব্বানিকে পদত্যাগের দাবি, দুকসু ইউনিয়ন ২৪ ঘণ্টার ultimatum

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ড. এ.কে.এম. গলাম রাব্বানির বিরুদ্ধে আজ দুকসু সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সেক্রেটারি মুসাদ্দিক আলি ইবনে মোহাম্মদ এবং কয়েকজন হল ইউনিয়ন নেতার সমন্বয়ে একটি স্মারক জমা দেওয়া হয়েছে। স্মারকে রাব্বানিকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি করা হয়েছে এবং তিনি যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ না করেন তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিতে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাব্বানি, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোফেসর ও প্রোফেসর হিসেবে কাজ করছিলেন, তখন তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণকে সহায়তা করেছেন এবং জুলাই বিদ্রোহের বিরোধিতা করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা রাব্বানির বিরুদ্ধে একাধিক আইনি মামলা দায়েরের কথা জানিয়েছে, যার মধ্যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামও যুক্ত রয়েছে।

মুসাদ্দিক আলি ইবনে মোহাম্মদ জানান যে দুকসু ইউনিয়ন এই বিষয়টি নিয়ে আরেকটি স্মারকও প্রস্তুত করছে এবং তা শীঘ্রই উপস্থাপন করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলছেন যে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।

গলাম রাব্বানি ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোফেসর হিসেবে নিয়োগ পান এবং প্রায় ছয় বছর ধরে এই পদে ছিলেন। প্রোফেসর হিসেবে তার মেয়াদে তিনি বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন, যার মধ্যে ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং শিক্ষার্থী বিষয়ক নীতি প্রণয়ন অন্তর্ভুক্ত ছিল।

প্রোফেসর পদ থেকে সরে এসে তিনি বর্তমানে ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই পরিবর্তনের পরেও শিক্ষার্থী ইউনিয়নগুলো রাব্বানির পূর্বের কাজকে ভিত্তি করে তার পদত্যাগের দাবি তীব্রভাবে তুলে ধরছে।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাব্বানির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো এখনও আদালতে চলমান, এবং শিক্ষার্থী নেতারা দাবি করছেন যে এই আইনি প্রক্রিয়ার ফলাফল রাব্বানির ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে তারা বিশ্ববিদ্যালয়কে এই বিষয়টি দ্রুত সমাধান করার আহ্বান জানাচ্ছেন, যাতে ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

এই দাবিগুলোর প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে শিক্ষার্থী ইউনিয়নগুলো ইতিমধ্যে পরবর্তী পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং রাব্বানির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষা ক্ষেত্রের এই ধরনের বিরোধ শিক্ষার্থীর স্বায়ত্তশাসন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার গুরুত্বকে আবারও তুলে ধরছে। ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং শিক্ষার্থীর অধিকার রক্ষায় সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

পাঠকবৃন্দের জন্য প্রশ্ন: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থী ইউনিয়নের ভূমিকা কতটা প্রভাবশালী হওয়া উচিত? আপনার মতামত শেয়ার করুন এবং শিক্ষার পরিবেশে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করুন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments