টিমের পারফরম্যান্সের পরিপ্রেক্ষিতে নাজমুলের নাম আবার বিশ্বকাপ নির্বাচনের আলোচনায় উঠে এসেছে। ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়ার কোনো প্রত্যাশা তার ছিল না এবং তিনি জানেন যে দল ইতিমধ্যে গঠন করা হয়েছে।
নাজমুলের মতে, “আমি যতটুকু জানি, বিশ্বকাপ দল তো দিয়ে দিয়েছে” এবং তিনি নিজের বর্তমান ফর্মের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। একই সময়ে মেহেদী উল্লেখ করেন, “মঙ্গল গ্রহে পাঠালেও খেলতে হবে”, যা দলের সংকল্পকে তুলে ধরে। নাজমুলের প্রতিক্রিয়া ছিল, “আমরা অভিনয় করি”।
পরবর্তীতে তাকে জানানো হয় যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত টি‑টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলের পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এই তথ্যের পর নাজমুল স্পষ্ট করে বলেন, “এটা নিয়ে আমি চিন্তাও করিনি। আমার মূল ফোকাস কীভাবে আমি প্রতিদিন ইম্প্যাক্ট ফেলতে পারি”। তিনি যোগ করেন, “আমি যেভাবে ব্যাটিং করেছি, তা এখনও যথেষ্ট নয়, আরও ভালো করার সুযোগ আছে”।
নাজমুলের ফর্ম পুনরায় ফিরে এসেছে এবং তাই তার পারফরম্যান্স নিয়ে বিশ্লেষকরা আলোচনা করছেন। অন্যদিকে, বিশ্বকাপ দলে থাকা কিছু খেলোয়াড়ের বিপিএল পারফরম্যান্স প্রত্যাশার নিচে রয়েছে। গতকাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ দশ রান সংগ্রাহকের তালিকায় বিশ্বকাপের একমাত্র প্রতিনিধি ছিলেন পারভেজ হোসেন।
আজ রাজশাহীর বিপক্ষে তাওহিদ হৃদয় ৯৭ রানে ৫৬ স্কোর করে ফর্মে ফিরে আসার সংকেত দিয়েছেন। তার এই ইনিংস টিমের সামগ্রিক আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলেছে। নাজমুলের বিশ্বাস, “টি‑টোয়েন্টিতে ব্যর্থতা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করা যৌক্তিক নয়। একটা ভালো ইনিংসেই আত্মবিশ্বাস ফিরে আসতে পারে”।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “যারা রান করছেন না, তাদের ওপর টিম ম্যানেজমেন্টের বিশ্বাস আছে” এবং যোগ করেন, “আমার মনে হয় না যে এটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তার কিছু আছে”। এই দৃষ্টিভঙ্গি দলের মনোবল বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশ্বকাপ দলে নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বর্তমান ফর্ম নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট। তারা জানায়, ব্যর্থতা স্বল্পমেয়াদী এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে ফিরে আসা সম্ভব। তাই টিমের কৌশলগত পরিকল্পনায় বর্তমান ইনিংসের ফলাফলকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
টিমের পরবর্তী ম্যাচের সূচি অনুযায়ী, টি‑টোয়েন্টি সিরিজের শেষ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো আসছে। এই ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স সরাসরি বিশ্বকাপ দলের চূড়ান্ত তালিকায় প্রভাব ফেলবে।
নাজমুলের বর্তমান ব্যাটিং শৈলী এবং তার আত্মবিশ্বাসের পুনর্নির্মাণ টিমের জন্য ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি ধারাবাহিকভাবে ইম্প্যাক্ট ফেলতে চাইলেই দলকে শক্তিশালী করতে পারবেন।
কোচিং স্টাফের মতে, টিমের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করতে খেলোয়াড়দের মানসিক প্রস্তুতি এবং ট্যাকটিক্যাল দিক উভয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশিক্ষণ সেশনে মানসিক দৃঢ়তা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হবে।
সারসংক্ষেপে, নাজমুলের ফর্ম ফিরে আসা, তাওহিদ হৃদয়ের নতুন ইনিংস এবং টিম ম্যানেজমেন্টের আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিতে বিশ্বকাপ দলের সম্ভাবনা পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোন পরিবর্তন হবে তা নির্ভর করবে আসন্ন ম্যাচের ফলাফলের ওপর।
এই পর্যায়ে টিমের লক্ষ্য স্পষ্ট: ধারাবাহিকভাবে উচ্চ স্কোর তৈরি করা এবং ব্যাটিং ও ফিল্ডিং উভয় ক্ষেত্রেই উন্নতি করা। এভাবে বিশ্বকাপের শেষ পর্যন্ত টিমের অবস্থান শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।



