28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমিসিসিপি ক্লে কাউন্টিতে এক যুবকের গুলিতে ছয়জন নিহত, সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

মিসিসিপি ক্লে কাউন্টিতে এক যুবকের গুলিতে ছয়জন নিহত, সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

মিসিসিপি রাজ্যের ক্লে কাউন্টিতে শুক্রবার রাতের গুলিবিদ্ধ ঘটনায় ছয়জনের প্রাণ ত্যাগ করে, যার মধ্যে সাত বছর বয়সী একটি শিশুও অন্তর্ভুক্ত। ২৪ বছর বয়সী দারিকা মুরকে প্রথম ডিগ্রির হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং পুলিশ তার হেফাজতে নিয়েছে।

ক্লে কাউন্টি শেরিফ এডি স্কটের মতে, মুর প্রথমে তার বাবা, ভাই ও চাচাকে গুলি করে হত্যা করে, তারপর একটি ট্রাক নিয়ে অন্য বাড়িতে গিয়ে একটি শিশুর উপর যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করে এবং শেষ পর্যন্ত শিশুটিকেও গুলি করে মেরে ফেলে। শেরিফ উল্লেখ করেন, এটাই তার ত্রিশ বছরের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন মামলাগুলোর একটি।

গুলির প্রথম ধাক্কা সন্ধ্যা সাতটার কাছাকাছি ডেভিড হিল রোডের একটি বাড়িতে ঘটেছে। সেখানে গ্লেন মুর (৬৭), উইলি গুইন্স (৫৫) এবং কুইন্টন মুর (৩৩) নিহত হয়। শেরিফের দল জরুরি কল পেয়ে ব্ল্যাক রোডের আরেকটি বাড়িতে পৌঁছায়, যেখানে মুরের দ্বারা জোরপূর্বক প্রবেশের পর শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তী তদন্তে জানা যায়, মুর তার নিহত ভাইয়ের মালিকানাধীন ফোর্ড এফ-১৫০ ট্রাক চুরি করে সাইলোয়াম-গ্রিফিথ রোডের একটি বাড়িতে যায়। সেখানে পুলিশ গোপনে লুকানো ট্রাকটি খুঁজে পায় এবং ব্যারি ব্র্যাডলি ও স্যামুয়েল ব্র্যাডলির মৃতদেহ উদ্ধার করে। উভয়কে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শেরিফের মতে, মৃতদের একজন স্থানীয় গির্জার যাজক ছিলেন।

মিসিসিপি ১৬তম সার্কিট কোর্টের জেলা অ্যাটর্নি স্কট কোলম মামলাটিকে “ভয়াবহ” বলে উল্লেখ করেছেন এবং এ ধরনের অপরাধের শাস্তি কঠোর হওয়া দরকার বলে জোর দিয়েছেন। শেরিফ স্কট জানিয়েছেন, প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগকে “ক্যাপিটাল মার্ডার”-এ উন্নীত করা হতে পারে, এবং মুর মানসিকভাবে সক্ষম প্রমাণিত হলে মৃত্যুদণ্ডের সম্ভাবনাও রয়েছে।

মুরের বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির হত্যা মামলায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে হেফাজতে রাখা হয়েছে। আদালতে তার মানসিক সক্ষমতা নির্ধারণের জন্য মানসিক মূল্যায়ন করা হবে, যা শাস্তির মাত্রা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে তদন্ত চলমান, এবং ব্র্যাডলি পরিবারের সঙ্গে মুরের পূর্ব সম্পর্ক আছে কিনা তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

শেরিফ স্কটের মতে, গুলির সময় মুরের আচরণ অত্যন্ত হিংস্র এবং পরিকল্পিত ছিল। তিনি প্রথমে পারিবারিক সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালান, পরে ট্রাক চুরি করে অন্য বাড়িতে গিয়ে অতিরিক্ত হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করেন। এই ধারাবাহিকতা অনুসারে, পুলিশ ঘটনাস্থলগুলোতে বিস্তৃত অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে এবং অতিরিক্ত প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।

মিসিসিপি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এই ঘটনার শিকার পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে, ভবিষ্যতে এমন হিংসাত্মক অপরাধ রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। তদন্তের অগ্রগতি এবং আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়, স্থানীয় সম্প্রদায় শোকাহত এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments