চট্টগ্রাম বিভাগের ফাটিকছড়ি উপজেলা শাহ নগরে সন্ধ্যা প্রায় ৭:৩০ টায় অপরিচিত সশস্ত্র লোকের গুলিবিদ্ধে ৪৫ বছর বয়সী মো. জামাল উদ্দিন প্রাণ হারান, আরেকজন ব্যক্তি গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ দল দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং আহত ব্যক্তিকে নিকটস্থ চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যায়।
গুলিবিদ্ধের সময় গুলির সঠিক দিকনির্দেশনা ও অস্ত্রের ধরন সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে গুলির শব্দ শোনা গিয়েছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান। গুলির পরিসর ও গুলি চালানোর পদ্ধতি থেকে বোঝা যায় যে আক্রমণটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছিল।
মৃত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে; তিনি মো. জামাল উদ্দিন, ৪৫ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা। গুলির ফলে তিনি তৎক্ষণাৎ মৃত্যুবরণ করেন এবং কোনো চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়নি। মৃতের পরিবারকে ঘটনাস্থলে জানানো হয় এবং শোক প্রকাশের জন্য স্থানীয় মসজিদে সমাবেশের ব্যবস্থা করা হয়।
আহত ব্যক্তি হলেন নাসির, হাথাজারি সাইকেল (সার্কেল) এর অতিরিক্ত সুপারিনটেনডেন্ট। গুলির ফলে তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর, এবং তিনি জরুরি শল্যচিকিৎসা গ্রহণের পরেও সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ফাটিকছড়ি সদর হাসপাতালের তীব্র সেবার অধীনে রয়েছেন।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তৎক্ষণাৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রাথমিক তদন্ত চালু করেন। গুলিবিদ্ধের সময় উপস্থিত গৃহস্থালির ক্যামেরা রেকর্ড এবং আশেপাশের মোবাইল ফোনের জিপিএস ডেটা সংগ্রহের কাজ চলছে।
অতিরিক্ত সুপারিনটেনডেন্ট নাসিরের সহকর্মীরা জানান, গুলির পর গুলিবিদ্ধের স্থান থেকে দ্রুত পালিয়ে যাওয়া সন্দেহভাজনদের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পুলিশ গুলিবিদ্ধের সময়ের ট্রাফিক সি.সি.টি.ভি. ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের সনাক্তকরণের চেষ্টা করছে।
স্থানীয় সূত্রের মতে, মৃত জামাল উদ্দিনের সঙ্গে জামায়াতের রাজনৈতিক কার্যক্রমের কিছু সংযোগ থাকতে পারে, তবে এই তথ্যের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। পুলিশ এই দিকটি তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে, তবে কোনো রাজনৈতিক প্রেরণা নিশ্চিত করা এখনো সম্ভব হয়নি।
ফাটিকছড়ি উপজেলায় গুলিবিদ্ধের পর স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানায়। কিছু বাসিন্দা স্থানীয় প্রশাসনকে অতিরিক্ত গশ্বরদারি ও রোড ব্লকেজের মাধ্যমে অপরাধমূলক কার্যকলাপ রোধের আহ্বান জানিয়েছেন।
আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, গুলিবিদ্ধে জড়িত অপরাধকে গুলি চালিয়ে প্রাণঘাতী অপরাধ হিসেবে ধরা হবে এবং সংশ্লিষ্ট আইনানুগ শাস্তি প্রযোজ্য হবে। পুলিশ অপরাধের গম্ভীরতা বিবেচনা করে দ্রুত তদন্ত চালিয়ে যাবে এবং সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
তদন্তের পরবর্তী ধাপ হিসেবে, পুলিশ গুলিবিদ্ধের সময়ের ফোন কল রেকর্ড, সামাজিক মিডিয়া পোস্ট এবং সম্ভাব্য গ্যাংয়ের সঙ্গে সংযোগের তথ্য সংগ্রহ করবে। এছাড়া, গুলিবিদ্ধের আশেপাশের দোকানদার ও বাসিন্দাদের সাক্ষ্য গ্রহণের



