28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকমার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশি শুল্ক বিষয় উত্থাপন করবেন

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশি শুল্ক বিষয় উত্থাপন করবেন

ওয়াশিংটন ডি.সিতে বর্তমানে বাংলাদেশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের অনুরোধে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি অ্যাম্বাসেডর জেমিসন গ্রীর ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান ২০% পারস্পরিক শুল্ক হ্রাসের সম্ভাবনা আলোচনা করবেন। এই পদক্ষেপটি বাংলাদেশি রপ্তানি অগ্রাধিকারের সমর্থনে একটি নতুন কৌশলগত সমঝোতার অংশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।

বাংলাদেশ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২০% শুল্কের সম্মুখীন, যা একই অঞ্চলের ভিয়েতনাম ও ভারতীয় রপ্তানিকারকদের তুলনায় তুলনামূলকভাবে উচ্চ। শুল্কের ভার কমাতে এবং প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্তিশালী করতে, দু’পক্ষের মধ্যে একটি সৃজনশীল সমাধান প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিশেষ পছন্দের স্কিমে, বাংলাদেশ তার আমদানি করা যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও কৃত্রিম ফাইবার টেক্সটাইল ইনপুটের পরিমাণের সমান পরিমাণে টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। এই মাপদণ্ডটি বর্গমিটারে নির্ধারিত, যা উভয় দেশের উৎপাদন ও রপ্তানি পরিসংখ্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এই পদ্ধতিকে “সৃজনশীল” এবং “উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে শক্তিশালী করবে, বাংলাদেশি প্রস্তুতকারক ও শ্রমিকদের উপকারে আসবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদনকারীদের সঙ্গে সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও ঘনিষ্ঠ করবে।

বাণিজ্যিক সম্পর্কের এই নতুন গতিপথকে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক বন্ধনের বৃদ্ধির একটি চিহ্ন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও উজ্জ্বল করে তুলবে।

কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগটি এশিয়ার সরবরাহ শৃঙ্খলকে বৈচিত্র্যপূর্ণ করার এবং চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর বৃহত্তর কৌশলের অংশ হতে পারে। একই সঙ্গে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য রপ্তানিকারকদের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক সমতা রক্ষা করা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পরবর্তী ধাপ হিসেবে, ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার পর একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি প্রস্তুত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চূড়ান্ত নথি স্বাক্ষরের সময়সূচি এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা দ্রুত অগ্রগতি নিশ্চিত করার জন্য কাজ চালিয়ে যাবে।

বাংলাদেশি দিক থেকে, এই ব্যবস্থা রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং দেশের টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস শিল্পকে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সমান স্তরে নিয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে, শুল্ক হ্রাসের ফলে উৎপাদন খরচ কমে রপ্তানি পণ্যের মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরও আকর্ষণীয় হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সটাইল শিল্পের জন্যও এই পরিকল্পনা নতুন সরবরাহ উৎসের সম্ভাবনা উন্মোচন করবে, যা স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করতে পারে। তবে শুল্কমুক্ত প্রবেশের শর্তাবলী পূরণে বাংলাদেশকে তার কাঁচামাল আমদানি ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে হবে।

সারসংক্ষেপে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশি শুল্ক সমস্যাকে আলোচনার সূচিতে রাখার সিদ্ধান্তটি দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা নির্দেশ করে। শুল্ক হ্রাসের মাধ্যমে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খলের ঘনিষ্ঠতা এবং আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার ভারসাম্য রক্ষা এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য, যা উভয় দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments