27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপাবনা রাউন্ডটেবিলে আইন‑শৃঙ্খলা সমস্যাকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ

পাবনা রাউন্ডটেবিলে আইন‑শৃঙ্খলা সমস্যাকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ

পাবনা প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে আজ বিকেলে শুশাসনের জন্য নাগরিক (শুজান) সংগঠিত রাউন্ডটেবিলের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সভার মূল বিষয় ছিল আসন্ন ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিবেশ, যেখানে উপস্থিত বক্তারা বর্তমান আইন‑শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। শুজানের পাবনা জেলা ইউনিটের সভাপতি আবদুল মতিন খানের নেতৃত্বে আলোচনা চালু হয়।

শুজানের চাটমোহর উপজেলা ইউনিটের সংগঠক মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, “The existing law and order situation is not conducive to holding a peaceful election. People in remote areas are living under security threats, and rampant arrests continue as before.” তিনি যোগ করেন, নিরাপত্তা অবনতির ধারাবাহিকতা হলে ফেব্রুয়ারি মাসে কোনো শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়।

সুজানগর উপজেলা থেকে স্বাধীনযোদ্ধা আবদুল হাই পূর্ববর্তী নির্বাচনে সরকার লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র জব্দ করে অবৈধ অস্ত্রের ওপর অভিযান চালায়, তা উল্লেখ করে বলেন, “This year, the scenario is different; no steps have been taken to deposit licensed firearms into government custody. Furthermore, candidates now require more personal security guards, which deeply worries voters.” তার মতে, অস্ত্র সংরক্ষণে সরকারের অদৃষ্টতা ভোটারদের নিরাপত্তা উদ্বেগকে বাড়িয়ে তুলেছে।

পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক প্রফেসর রফিকুল ইসলাম শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি একটি ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, একটি প্রার্থীকে রিটার্নিং অফিসারের উপস্থিতিতে নির্বাচন অফিস থেকে বের হতে বাধ্য করা হয়েছিল। এই ধরনের হস্তক্ষেপের ফলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

কলেজ শিক্ষিকা মুতমাইনা কাকলি ভোটারদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও “মব কালচার”‑কে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “Considering the existing law and order situation, many of us are trying to cancel our election duties (as presiding officer, assistant presiding officer), but we are unable to take out our names from the list.” নিরাপত্তা হুমকির কারণে বহু ভোটার ও কর্মী তাদের দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান, তবে তালিকা থেকে নাম মুছে ফেলা সম্ভব না হওয়ায় তারা দ্বিধায় আছেন।

অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা উল্লেখ করেন যে অধিকাংশ ভোটার রেফারেন্ডামের বিষয়বস্তু ও তার গুরুত্ব সম্পর্কে অজ্ঞ। এই তথ্যের ঘাটতি ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

শুজান সংগঠন ও অংশগ্রহণকারী সকলেই একমত যে, আইন‑শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত না হলে ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গঠন করা কঠিন হবে। তারা নির্বাচনী কমিশনকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি ভোটারদের রেফারেন্ডাম সম্পর্কে যথাযথ তথ্য প্রদান করার আহ্বান জানায়।

এই রাউন্ডটেবিলের আলোচনার পরবর্তী ধাপ হিসেবে শুজান স্থানীয় নিরাপত্তা গোষ্ঠী ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করেছে, যাতে নির্বাচনের দিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments