সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে ঢাকা শহরের সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত পলিসি ডায়ালগে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল সরকারের ভারতীয় আধিপত্য থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানটি সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজন করে ‘রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক আলোচনার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। ড. নজরুলের বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল দেশের স্বনির্ভরতা ও শাসনব্যবস্থার সংস্কার।
তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে ভারতের প্রভাবের অধীনে বাংলাদেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা অনুভব করছিল, কিন্তু বর্তমান সরকারে দেশ স্বাধীন কন্ঠে নীতি নির্ধারণে সক্ষম হয়েছে। ভারতের আক্রমণাত্মক নীতি ও হস্তক্ষেপের তুলনায় এখন ঢাকায় স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিবর্তনকে তিনি দেশের কূটনৈতিক স্বায়ত্তশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উপস্থাপন করেন।
ড. নজরুল স্বীকার করেন, সরকারের কাজের প্রতি কিছু সমালোচনা যুক্তিযুক্ত, তবে কিছু ক্ষেত্রে সমালোচনা অতিরিক্ত কঠোর হয়ে দাঁড়ায়। তিনি বলছেন, সমালোচনার সীমা নির্ধারণে যুক্তি ও ন্যায়বিচারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। অতএব, সমালোচনার বৈধ দিকগুলোকে স্বাগত জানানো উচিত, তবে অযৌক্তিক আক্রমণকে রোধ করা প্রয়োজন।
বিচার সংস্কারকে তিনি অন্যতম সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন। বর্তমানে উচ্চ আদালতই বিচার বিভাগের পদ সৃষ্টি, বদলি, পদোন্নতি এবং বাজেট বরাদ্দের চূড়ান্ত অনুমোদন দিচ্ছে। এই পদ্ধতি বিচারিক স্বায়ত্তশাসনকে শক্তিশালী করে এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা কমায়



