20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি চেয়ার তারেক রহমান: মতপার্থক্য থাকবে, তবে মতবিভেদ না হওয়া দরকার

বিএনপি চেয়ার তারেক রহমান: মতপার্থক্য থাকবে, তবে মতবিভেদ না হওয়া দরকার

ঢাকা, ১০ জানুয়ারি (শুক্রবার) – বনানীর শেরাটন হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান একত্রে মতবৈচিত্র্য বজায় রেখে ঐক্য রক্ষার আহ্বান জানিয়ে বলেন, হিংসা ও প্রতিহিংসার কোনো স্থান নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য স্বাভাবিক, তবে তা সমাজকে ভাগ করে না, একসাথে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

তারেক রহমানের মতে, সহিংসতা কখনোই ইতিবাচক ফল দেয় না; তা কেবল সমাজের শৃঙ্খলা নষ্ট করে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তিনি সকল রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে একত্রে কাজ করার, পারস্পরিক বিরোধকে গঠনমূলক আলোচনায় রূপান্তর করার নির্দেশ দেন।

ভবিষ্যৎ সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে তিনি অতীতের পাঁচ আগস্টের আগে ফিরে যাওয়ার কোনো কারণ নেই, তা পুনরায় পুনরাবৃত্তি না করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্বাধীন মিডিয়া গণতন্ত্রের ভিত্তি এবং তা রক্ষার জন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার।

তারেক রহমান জানান, তিনি দেশের বাইরে থেকেও সর্বদা যোগাযোগ বজায় রেখেছেন এবং দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে আসছেন। তিনি স্বীকার করেন, গত ষোলো বছর ধরে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন বাড়ছে, এবং তার নিজের পার্টির কর্মী ও তার মা সহ অনেকেই এই নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি দেশের নদীগুলোর ধারাবাহিক দূষণকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, একের পর এক নদী দূষিত হচ্ছে এবং এর সমাধান না করা হলে মানব স্বাস্থ্য ও কৃষি উৎপাদনে বড় ক্ষতি হবে।

এই সমস্যার সমাধানে তিনি সংসদে এবং বিভিন্ন সেমিনারে ব্যাপক আলোচনা করার প্রস্তাব দেন, যাতে নীতিনির্ধারকরা বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে পারেন। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য মিডিয়ার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে জোর দেন।

নতুন প্রজন্মের প্রতি তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি আশাবাদী। তিনি বলেন, তরুণরা ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য উদ্যমী, তবে তাদের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সবসময় সম্ভব নয়। তবু একসাথে কাজ করলে জাতিকে সঠিক পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, এটাই তার মূল বার্তা।

অন্যান্য রাজনৈতিক দলও সাংবাদিক স্বাধীনতা ও সামাজিক ঐক্যের গুরুত্ব স্বীকার করেছে এবং সহিংসতা বিরোধী নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। তবে বাস্তবায়নে কী ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তারেক রহমানের এই বক্তব্যের পর, সাংবাদিক সমিতি ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা তার আহ্বানকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতে মিডিয়ার নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণে যৌথ উদ্যোগের প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, যদি সব দল এই রকম সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে, তবে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও পরিবেশ নীতি উভয়ই শক্তিশালী হতে পারে।

এই আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে, শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠিত এই সভা পরবর্তী সপ্তাহে একটি জাতীয় মিডিয়া ফোরাম এবং পরিবেশ সংক্রান্ত কর্মশালার আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠী একত্রে নীতি নির্ধারণে অংশগ্রহণ করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments