22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকসোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেনের পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠক

সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেনের পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠক

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ আগামী সোমবার ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য একত্রিত হবে। রাশিয়ার সাম্প্রতিক কিয়েভে আক্রমণকে কেন্দ্র করে এই বৈঠক নির্ধারিত হয়েছে। সভায় উভয় পক্ষের অবস্থান এবং মানবিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হবে।

সংস্থার গোপনীয় সময়সূচি শুক্রবার রাত, ৯ জানুয়ারি আপডেট হওয়ার পরে এই বৈঠকের তারিখ প্রকাশিত হয়। সংশোধিত এজেন্ডায় ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও মানবিক জরুরি বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

শীতের মাঝামাঝি সময়ে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী কিয়েভ ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে তীব্র আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। এই আক্রমণগুলোতে বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা হয়েছে। ফলে মানবিক সংকট বাড়ছে।

ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই মেলনিক নিরাপত্তা পরিষদে একটি চিঠি জমা দিয়েছেন। চিঠিতে রাশিয়ার কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ত্বরিত পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।

মেলনিকের চিঠিতে রাশিয়ার বেসামরিক জনগণ ও অবকাঠামোর ওপর চালিত হামলাকে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে এই ধরনের আক্রমণ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে রাশিয়া অপরাধের একটি নতুন, ভয়ানক স্তরে পৌঁছেছে, যা পূর্বে দেখা যায়নি। এই পর্যায়ে পৌঁছানোকে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ব্যবস্থা কঠোরভাবে মোকাবেলা করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বৈঠকে সম্ভাব্য প্রস্তাবনা, নিষেধাজ্ঞা এবং মানবিক সহায়তার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হবে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের বিকল্প উপস্থাপন করতে বলা হবে।

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধাপরাধের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (ICC) মামলার ভিত্তি হতে পারে। এ ধরনের স্বীকৃতি রাশিয়ার কূটনৈতিক সুরক্ষা ও বৈশ্বিক অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে।

সুরক্ষা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে মতবিরোধের ইতিহাস রয়েছে। তবে এই বৈঠক তাদের ঐক্য পরীক্ষা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে পারে।

ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলো আক্রমণের সম্ভাব্য বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন সীমান্তে সামরিক প্রস্তুতি বাড়িয়ে তুলেছে।

বৈঠকের পর সুরক্ষা পরিষদ একটি ঘোষণাপত্র বা খসড়া প্রস্তাবনা গৃহীত করতে পারে, যা পরবর্তী সেশনে ভোটের জন্য উপস্থাপিত হবে। এই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রতিক্রিয়া নির্ধারণের মূল ধাপ।

শেষ পর্যন্ত, বৈঠকের ফলাফল শান্তি আলোচনার অগ্রগতি এবং মানবিক সহায়তার প্রবাহে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ফলাফলকে ইউক্রেনের সংকট সমাধানের সূচক হিসেবে দেখছেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments