19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাআইসিসি থেকে বিসিবি প্রাপ্ত রাজস্বের শতাংশ ও অন্যান্য আয়ের উৎস প্রকাশিত

আইসিসি থেকে বিসিবি প্রাপ্ত রাজস্বের শতাংশ ও অন্যান্য আয়ের উৎস প্রকাশিত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর বার্ষিক আয় কাঠামো সম্পর্কে সম্প্রতি স্পষ্ট তথ্য জানানো হয়েছে। বোর্ডের প্রধান কর্মকর্তার মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) থেকে প্রাপ্ত মোট রাজস্বের ভাগ প্রতি বছর প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশের মধ্যে থাকে। তাছাড়া, আইসিসি থেকে আসা অর্থ কখনোই বিসিবির মোট আয়ের ৯০ শতাংশ অতিক্রম করে না।

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলে উল্লেখ করেন, আইসিসি থেকে প্রাপ্ত অংশই বোর্ডের আয়ের প্রধান ভিত্তি, তবে তা সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশের চেয়ে কমই থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে অভ্যন্তরীণ আয় কিছুটা হ্রাস পেয়েও আইসিসি শেয়ার স্থিতিশীল রয়ে গেছে।

আইসিসি থেকে বিতরণ করা তহবিল বিসিবির মোট আয়ের সবচেয়ে বড় অংশ গঠন করে। এই অংশ ছাড়া অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম, তবে তা সমগ্র আর্থিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আন্তর্জাতিক হোম সিরিজের টেলিভিশন সম্প্রচার অধিকার থেকে প্রাপ্ত আয়ও উল্লেখযোগ্য। দেশীয় ও বিদেশি দর্শকদের জন্য সরাসরি সম্প্রচার নিশ্চিত করে এই অধিকার থেকে নিয়মিত আয় প্রবাহ বজায় থাকে।

বিসিবি বিভিন্ন ধরণের স্পনসরশিপের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করে। জাতীয় দলের শিরোনাম স্পনসর, আন্তর্জাতিক সিরিজের স্পনসর এবং কিট স্পনসরশিপ সবই বোর্ডের আয় বাড়াতে সহায়ক। এই স্পনসরশিপগুলো ক্রীড়া বাজারের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নবায়ন করা হয়।

দেশীয় টুর্নামেন্টগুলোও আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল), সিসিডিএম এবং জাতীয় ক্রিকেট লিগ, বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের মতো প্রতিযোগিতাগুলো থেকে টিকিট বিক্রি, টেলিভিশন অধিকার এবং বিজ্ঞাপন আয় সংগ্রহ করা হয়।

স্টেডিয়ামের টিকিট বিক্রয়, গ্রাউন্ড রাইটস এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশও বিসিবির রাজস্বের অংশ। এই উপাদানগুলো আইসিসি শেয়ারের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে এবং আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

বিসিবি ব্যাংকে রাখা স্থায়ী আমানত এবং এফডিআরের সুদ থেকে প্রাপ্ত আয়ও মোট আয়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের আর্থিক বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে এবং অপ্রত্যাশিত ব্যয় মোকাবেলায় সহায়তা করে।

সারসংক্ষেপে, আইসিসি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব বিসিবির মোট আয়ের অর্ধেকের কাছাকাছি হলেও, টেলিভিশন অধিকার, স্পনসরশিপ, দেশীয় লিগ, টিকিট বিক্রয়, লভ্যাংশ এবং ব্যাংক ডিপোজিটের মতো বহুমুখী উৎসগুলো একত্রে বোর্ডের আর্থিক ভিত্তি গড়ে তুলেছে। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ আয় কাঠামো ভবিষ্যতে ক্রীড়া উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments