সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি২০ ম্যাচে নোয়াখালি এক্সপ্রেস শেষ ছয়টি পরাজয়ের পর প্রথম জয় অর্জন করে। রাংপুর রাইডার্সের লক্ষ্য ছিল ১৪৯ রান, তবে শেষ পর্যন্ত দলটি ১৩৯ রান করে নয় রানের পার্থক্যে পরাজিত হয়।
নোয়াখালি এক্সপ্রেসের ব্যাটিং শুরুতে হাবিবুর রহমান সোহান ১৬ ball-এ ৩০ রান করে দ্রুত গতি দেখায়। সুম্য সরকার ও জাকার আলি যথাক্রমে ৩১ ও ৩৮ রান যোগ করে দলকে ১৪৮ রান করতে সক্ষম করে, যদিও শেষ ওভারে মৃৎতনজয় চৌধুরী হ্যাট-ট্রিক নিয়ে দলকে ১৯.৫ ওভারে আটকে দেয়।
রাংপুর রাইডার্সের শুরুর গতি উজ্জ্বল ছিল; ১৫তম ওভারে ১০০/৩ স্কোরে তারা শীর্ষে পৌঁছায়। তবে নোয়াখালি ব্যাটারদের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাইডার্সের ব্যাটিং ধীর হয়ে যায়। ইফতিখার আহমেদ ৩১ ball-এ ৩৭ রান করে টপ স্কোরার হন, আর খুশদিল শাহ ১৬ ball-এ ২৪ রান যোগ করে শেষ ওভার পর্যন্ত প্রতিরোধ করে, তবে শেষ ওভারের প্রথম ball-এ আউট হন।
নোয়াখালি এক্সপ্রেসের পেসার হাসান মাহমুদের পারফরম্যান্স ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন, যার মধ্যে শেষ ওভারে ১৪ রান রক্ষা করে তিনটি উইকেট নেয়া অন্তর্ভুক্ত। এই চমৎকার পারফরম্যান্সের ফলে রাইডার্সের স্কোর ১৩৯/৯ হয়ে শেষ হয়, এবং নোয়াখালি এক্সপ্রেসের জয় নিশ্চিত হয়।
মাস্টাফিজুর রহমানের ৩/১৮ এবং মৃৎতনজয় চৌধুরীর হ্যাট-ট্রিক রাইডার্সের ব্যাটিংকে বাধাগ্রস্ত করে, যদিও শেষ ওভারে রাইডার্সের শেষ ১৪ রান রক্ষা করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। নোয়াখালি এক্সপ্রেসের জয় সত্ত্বেও দলটি টেবিলের নিচের দিকে রয়ে যায়, দুই পয়েন্টে অবস্থান করে। রাইডার্স এখন আট পয়েন্টে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, ছয়টি ম্যাচের পর।
এই জয় নোয়াখালি এক্সপ্রেসের টুর্নামেন্টে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। দলটি এখন পরবর্তী ম্যাচে আরও আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে, যদিও টেবিলে শীর্ষে ওঠার জন্য এখনও বড় চ্যালেঞ্জ বাকি।



