27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনপ্রাইমেট চলচ্চিত্রে কলেজ শিক্ষার্থীরা র‍্যাবিড চিম্পের সঙ্গে বেঁচে থাকার লড়াই

প্রাইমেট চলচ্চিত্রে কলেজ শিক্ষার্থীরা র‍্যাবিড চিম্পের সঙ্গে বেঁচে থাকার লড়াই

হররার নতুন শিরোনাম ‘প্রাইমেট’ শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি থিয়েটারে প্রকাশিত হয়েছে। চলচ্চিত্রটি রেটেড আর হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ এবং মোট সময়কাল এক ঘণ্টা সাতত্রিশ মিনিট। গল্পের মূল কেন্দ্রে রয়েছে কলেজের ছাত্রছাত্রীরা, যারা এক অপ্রত্যাশিত র‍্যাবিড চিম্পের সঙ্গে জীবন-সংগ্রামের মুখোমুখি হয়।

চলচ্চিত্রের কাহিনী একটি ক্যাম্পাসে শুরু হয়, যেখানে একদল তরুণ শিক্ষার্থী একটি পোষা চিম্পকে গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে গ্রহণ করে। তবে প্রাণীটি রাবিস রোগে আক্রান্ত হয়ে অপ্রত্যাশিত আক্রমণাত্মক আচরণ দেখায়, ফলে ছাত্রদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। বেঁচে থাকার জন্য তারা একে অপরের সঙ্গে জোট বাঁধে এবং চিম্পের ক্রমবর্ধমান হিংস্রতা মোকাবিলায় নানা কৌশল অবলম্বন করে।

এই ছবির পেছনে রয়েছে ১৯৭০-এর দশকের একটি পুরনো টেলিভিশন সিরিজের স্মৃতি, যেখানে চিম্পগুলোকে মানব রূপে সাজিয়ে গোপন এজেন্টের ভূমিকায় দেখানো হতো। যদিও সেই সিরিজের শৈলী আজকের দর্শকের কাছে পুরনো মনে হতে পারে, তবে ‘প্রাইমেট’ সেটি থেকে কিছু রেফারেন্স নিয়ে আধুনিক হররার ছোঁয়া যোগ করেছে।

‘প্রাইমেট’ পরিচালনা করেছেন জোহানেস রবার্টস, যিনি হররার জগতে বেশ কয়েকটি সফল কাজের নাম করেছেন। রবার্টসের সঙ্গে কাজ করেছেন স্ক্রিনরাইটার এরনেস্ট রিয়েরা, যারা একসাথে গল্পের গঠন ও সংলাপ তৈরি করেছেন। দুজনের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে একটি তীব্র ও উত্তেজনাপূর্ণ বর্ণনা, যা দর্শকের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়।

চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন জোনি সিকোয়াহ, জেসিকা আলেক্সান্দার, ট্রয় কোৎসুর, ভিক্টোরিয়া ওয়্যান্ট, গিয়া হান্টার, বেনজামিন চেং, চার্লি ম্যান, তিয়েন্নে সিমন এবং মিগুয়েল টোরেস উম্বা। এই দলটি বিভিন্ন চরিত্রে নিজস্ব ছাপ রেখে গল্পকে সমৃদ্ধ করেছে। বিশেষ করে মিগুয়েল টোরেস উম্বা, যিনি চিম্পের ভূমিকায় শারীরিক অভিনয় করেছেন, তার পারফরম্যান্সকে সমালোচকরা প্রশংসা করেছেন।

চিম্পের চরিত্রের নাম ‘বেন’, এবং তাকে বাস্তব চিম্পের বদলে মিগুয়েল টোরেস উম্বা একটি বানানো বানরের পোশাকে অভিনয় করেছেন। উম্বা একজন মুভমেন্ট ও মাইম বিশেষজ্ঞ, যার শারীরিক দক্ষতা চিম্পের শক্তি ও অস্থিরতা প্রকাশে সহায়তা করেছে। তার অভিনয় শারীরিকভাবে বিশ্বাসযোগ্য এবং প্রাণীর স্বভাবকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করেছে।

চলচ্চিত্রের ভিজ্যুয়াল ইফেক্টে ব্যবহার করা মাস্ক ও প্রোথেটিক্স কিছুটা ২০২৪ সালের অদ্ভুত হেডগিয়ারের স্মরণ করিয়ে দেয়। যদিও এই উপকরণগুলো কখনও কখনও অতিরঞ্জিত মনে হতে পারে, তবু তারা চিম্পের হিংস্রতা ও অপ্রত্যাশিত রূপকে দৃশ্যমানভাবে তুলে ধরতে কার্যকর হয়েছে।

‘প্রাইমেট’ রেটেড আর হিসেবে চিহ্নিত, যা প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকদের জন্য উপযুক্ত। মোট সময়কাল এক ঘণ্টা সাতত্রিশ মিনিট, যা গল্পকে সংক্ষিপ্ত ও তীব্র রাখে। চলচ্চিত্রের গতি দ্রুত, এবং অল্প সময়ের মধ্যে দর্শককে ভয় ও উত্তেজনার মিশ্রণে ডুবিয়ে দেয়।

ফিল্মটি ৯ জানুয়ারি শুক্রবার থিয়েটারে মুক্তি পেয়েছে এবং প্রথম সপ্তাহে বেশ কিছু সিনেমা হলে পূর্ণ দর্শকসংখ্যা অর্জন করেছে। মুক্তির পর দর্শকরা চিম্পের ভয়ঙ্কর উপস্থিতি এবং ছাত্রদের বেঁচে থাকার সংগ্রামকে প্রশংসা করেছে। চলচ্চিত্রটি হররার ভক্তদের পাশাপাশি তরুণ দর্শকদেরও আকৃষ্ট করেছে।

‘প্রাইমেট’ হররার শৈলীর সঙ্গে আধুনিক ক্যাম্পাস জীবনের বাস্তবতা মিশিয়ে একটি নতুন অভিজ্ঞতা প্রদান করে। যারা রোমাঞ্চকর ও তীব্র সিনেমা পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই চলচ্চিত্রটি একটি উপযুক্ত বিকল্প হতে পারে। সিনেমা হলে গিয়ে এই রোমাঞ্চকর যাত্রা উপভোগ করা যেতে পারে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments