22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধস্বেচ্ছাসেবক নেতা মুসাব্বিরের হত্যার পর বাসিন্দা ও দলের নেতারা বেসুন্ধরা শপিংমলে প্রতিবাদ

স্বেচ্ছাসেবক নেতা মুসাব্বিরের হত্যার পর বাসিন্দা ও দলের নেতারা বেসুন্ধরা শপিংমলে প্রতিবাদ

ঢাকার তেজগাঁও থানা ইনচার্জ কশৌইনু মারমা শুক্রবার সকাল ৯ জানুয়ারি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, স্বেচ্ছাসেবক নেতা মুসাব্বিরের হত্যার কারণ এখনও পরিষ্কার হয়নি। তিনি উল্লেখ করেছেন, ঘটনাস্থল ও প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে এবং সব দিক বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মুসাব্বিরের মৃত্যু ঘটেছে গত বুধবার রাত, যখন তিনি পশ্চিম তেজতুরি পাড়ায় গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে সেখানে চিকিৎসার পরেও তিনি প্রাণ হারান। তার মৃত্যু স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক গোষ্ঠীর মধ্যে শোকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

হত্যার দুই দিন পরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তেজগাঁও থানার তদন্তকারী দল প্রমাণ সংগ্রহ ও সাক্ষী সংগ্রহে ব্যস্ত, তবে এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার হয়নি। এই পরিস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের মধ্যে অসন্তোষের সঞ্চার ঘটায়।

অসন্তোষের প্রতিক্রিয়ায় আজ দুপুরে বেসুন্ধরা শপিংমলের পেছনের গেটে একটি প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মুসাব্বিরের ন্যায়বিচার দাবি করে স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বেচ্ছাসেবক গোষ্ঠীর নেতারা একত্রিত হন। তারা শপিংমলের প্রবেশদ্বার থেকে স্লোগান শোনিয়ে রাস্তায় নামেন এবং ন্যায়বিচার চাহিদা জানিয়ে তীব্র সুরে প্রতিবাদ করেন।

প্রতিবাদকারীরা স্লোগান ও নারা দিয়ে রাস্তায় গর্জন করতে করতে তেজগাঁও থানার দিকে অগ্রসর হন। গোষ্ঠীটি ফার্মগেট পার হয়ে থানার সামনে পৌঁছায় এবং সেখানে থামিয়ে দ্রুততম সময়ে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি করে। তাদের দাবি স্পষ্ট: তদন্ত দ্রুততর করা হোক এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হোক।

থানার ইনচার্জের মতে, প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে সংলাপের চেষ্টা করা হয়েছে, তবে তদন্তের গতি বাড়াতে অতিরিক্ত তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে থানা দল প্রমাণ সংগ্রহের পাশাপাশি সন্দেহভাজনদের সনাক্তকরণের জন্য ফরেনসিক বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছে।

আইনি দিক থেকে, মুসাব্বিরের মৃত্যুর ক্ষেত্রে হত্যা ও অপরাধমূলক দায়ের অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগে মামলার ফাইল তৈরি হয়ে গিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। আদালতে পরবর্তী শুনানির তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

স্থানীয় জনগণ ও স্বেচ্ছাসেবক গোষ্ঠী এখনো ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। তারা দাবি করে, হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে এমন অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধ করা যায়। তেজগাঁও থানা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ পদক্ষেপের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments