22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনরনড্ডা সাইন টোনে শাটার‑এর অপ্রত্যাশিত তোলায় ৭২‑বছরী অ্যান হিউজের ভাইরাল মুহূর্ত

রনড্ডা সাইন টোনে শাটার‑এর অপ্রত্যাশিত তোলায় ৭২‑বছরী অ্যান হিউজের ভাইরাল মুহূর্ত

মার্চ ২০২৪‑এ রনড্ডা সাইন টাফের টন্টেগে অবস্থিত বেস্ট ওয়ান দোকানের পরিষ্কার কর্মী অ্যান হিউজ, ৭২ বছর বয়সী, দোকানের স্বয়ংক্রিয় শাটারটি খুলতে গিয়ে তার কোটের গাঁটফাঁটের কারণে হঠাৎ করে বাতাসে উঠতে দেখা যায়। সিএসিটিভি ক্যামেরা এই দৃশ্যটি রেকর্ড করে, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং অ্যানকে অপ্রত্যাশিতভাবে দেশের আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে।

অ্যান যখন শপিং ট্রলি ঠেলছিল, শাটারটি দ্রুত উপরে উঠে তার কোটের একটি অংশকে টেনে নেয়। ফলে তিনি মাটির থেকে উঁচুতে উঠে যান এবং তৎক্ষণাৎ চিৎকার করে দোকানের মালিকের নাম ডাকার চেষ্টা করেন, তবে প্রথমে শোনার মতো কোনো সাড়া পান না। তবু তিনি ট্রলিটিকে দৃঢ়ভাবে ধরতে থাকেন এবং শাটারটি বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপদে নামেন।

দোকানের টিকটক অ্যাকাউন্টে আপলোড করা ৩১ সেকেন্ডের ভিডিওটি কয়েক ঘন্টার মধ্যে লক্ষ লক্ষ দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। টিকটকের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামেও একই ক্লিপ শেয়ার করা হয়, যেখানে একক পোস্টের ভিউ সংখ্যা ৫০ মিলিয়নেরও বেশি পৌঁছায়।

অনলাইন ব্যবহারকারীরা অ্যানের বয়স ও অপ্রত্যাশিত ঘটনার মিশ্রণে বিস্ময় ও হাস্যরসের সাড়া দেন। মন্তব্যগুলোতে তার সাহসিকতা, বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন এই অদ্ভুত অভিজ্ঞতা এবং তার ট্রলি‑ধারণের দৃশ্যের প্রতি প্রশংসা দেখা যায়।

প্রথমে অ্যান মিডিয়ার দৃষ্টিতে আসতে অনিচ্ছুক ছিলেন, তবে পরবর্তীতে তিনি একটি সংক্ষিপ্ত অডিও রেকর্ডিং দিতে সম্মত হন। রেকর্ডিংয়ে তিনি জানান, কোটটি আটকে গিয়ে তিনি উপরে উঠতে শুরু করলে প্রথমে অবাক হয়ে ভাবলেন যে তিনি সত্যিই উপরে যাচ্ছেন। তৎক্ষণাৎ তিনি শাটার বন্ধ করতে চেয়েছিলেন এবং দোকানের মালিকের নাম উচ্চস্বরে ডেকেছিলেন, শেষ পর্যন্ত মালিকের কানে তার চিৎকার পৌঁছায়।

অ্যানের হাস্যকর মন্তব্যের মধ্যে রয়েছে, তার নাতি-নাতনিরা যখন জিজ্ঞাসা করে কেন তিনি ট্রলি ধরে রেখেছেন, তখন তিনি উত্তর দেন যে তিনি নিজেও ঠিক জানেন না। এই স্বাভাবিক ও সরল স্বরে তার কথাগুলো অনলাইন দর্শকদের মধ্যে আরও জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

ভিডিওটি ওয়েলশ স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রধান টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বিশেষ করে একটি জাতীয় ব্রডকাস্টে অ্যানের সাক্ষাৎকার ও সিএসিটিভি ফুটেজ দেখানো হয়, যা তাকে দেশের সর্বজনীন পরিচিতি দেয়।

বিরাট মনোযোগের পর অ্যানের বাড়িতে এক দর্শক এসে একটি ধন্যবাদ কার্ড উপহার দেন, যার সামনে লেখা ছিল “তুমি সত্যিই এক তারকা”। অ্যান এই ছোট্ট উপহারে আনন্দ প্রকাশ করেন, যদিও তিনি অতিরিক্ত পরিচিতি পেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন।

কয়েক মাস পর, অ্যানের নাতনি তাকে মৃত্যুদণ্ডের সংবাদ জানিয়ে দেন। তিনি তার মা, দিদি এবং নাতি-নাতনির জন্য পরিচিত ছিলেন, এবং তার অকাল মৃত্যু পরিবারকে শোকাহত করে।

অ্যানের এই অপ্রত্যাশিত মুহূর্তটি আজও সামাজিক মিডিয়ায় স্মরণীয় উদাহরণ হিসেবে রয়ে গেছে যে কীভাবে দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ ঘটনা হঠাৎ করে ভাইরাল হয়ে যায়। স্থানীয় শিল্পী টি২সুগারসের মতো সৃজনশীল ব্যক্তিরা অ্যানের স্মৃতিতে শিল্পকর্ম তৈরি করে, যা সম্প্রদায়ের মধ্যে তার প্রতি স্নেহ ও সম্মান প্রকাশ করে।

এই ঘটনা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, কখনও কখনও এক মুহূর্তের অপ্রত্যাশিত ঘটনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষও জাতীয় আলোচনার অংশ হয়ে উঠতে পারে, এবং তাদের গল্পের মাধ্যমে সমাজে মানবিক সংযোগের নতুন দিক উন্মোচিত হয়।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments