27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাড. খলিলুর রহমান ও মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি গ্রিয়ারের বৈঠক

ড. খলিলুর রহমান ও মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি গ্রিয়ারের বৈঠক

ড. খলিলুর রহমান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, ৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বিষয়ক বৈঠক করেন।

বৈঠকের পরপরই, প্রধানমন্ত্রী প্রেস উইং শুক্রবার জানায় যে ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সাথেও আলাদা একটি সেশন পরিচালনা করেছেন।

গ্রিয়ার ও ড. খলিলুর রহমানের আলোচনায় বাংলাদেশ কীভাবে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে আমদানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পদক্ষেপ নিয়েছে, তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে চুক্তির কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা বাস্তবায়ন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমানে কার্যকর থাকা ২০ শতাংশ রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ (পারস্পরিক শুল্ক কমানোর) ব্যবস্থা সম্পর্কে ড. খলিলুর রহমান অতিরিক্ত শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব দেন। গ্রিয়ার এই প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

ড. খলিলুর রহমান মার্কিন কাঁচামাল বা উপকরণ ব্যবহার করা পোশাকের ওপর থেকে শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহারের অনুরোধও করেন, যা গার্মেন্টস শিল্পের খরচ হ্রাসে সহায়ক হবে। এই বিষয়টিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।

উভয় পক্ষ বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তির বাকি বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান করে চূড়ান্ত ও বাস্তবায়ন করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেন।

ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন, চুক্তি সম্পূর্ণ কার্যকর হলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক সংযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং দু’দেশের বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ বাড়বে।

সম্প্রতি বাংলাদেশকে মার্কিন ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করবে। এই সুবিধা কাজে লাগাতে গ্রিয়ারকে উদ্যোগ নিতে ড. খলিলুর রহমান অনুরোধ করেন।

বেসরকারি খাতের জন্য ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (DFC) তহবিলের প্রবেশের দরখাস্তও ড. খলিলুর রহমান করেন, এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি এই বিষয়ে সহযোগিতার নিশ্চয়তা দেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন, আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ব্রেন্ডন লিঞ্চ এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

এই আলোচনাগুলো বাংলাদেশ‑যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, বিশেষ করে রপ্তানি বৃদ্ধি, বিনিয়োগ প্রবাহ এবং সরবরাহ শৃঙ্খল বৈচিত্র্যায়নে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, আমেরিকান কাঁচামাল ব্যবহার করা গার্মেন্টস পণ্যের ওপর শুল্ক হ্রাস হলে উৎপাদন খরচ কমে প্রতিযোগিতামূলকতা বাড়বে, আর রেসিপ্রোকাল ট্যারিফের সম্প্রসারণে বাংলাদেশি পণ্যের নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বাকি বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান না হলে বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়নে বিলম্ব হতে পারে, তাই উভয় পক্ষই সময়মতো সমাধানের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

সারসংক্ষেপে, ড. খলিলুর রহমান ও জেমিসন গ্রিয়ারের এই বৈঠক উভয় দেশের অর্থনৈতিক সংযোগ গভীর করার ইচ্ছা প্রকাশ করে এবং বাস্তবিক বাধা দূর করে বাণিজ্যিক সুযোগ বাড়ানোর দিকে লক্ষ্য রাখে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments