বিপিএল ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালস ও সিলেট টাইটান্সের মধ্যে নবম ওভারে একটি নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী হলেন ভক্তরা। সিলেটের বোলার মইন আলি যখন শামীম হোসেনের দিকে স্কোয়ার লেগে বল ছুঁড়ে দিলেন, তখন শামীমের ছক্কা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিল। তবে সীমানার কাছাকাছি অবস্থান করা ইংরেজ ফিল্ডার ইথান ব্রুকস বলটি হাতে ধরতে সক্ষম হন।
ব্রুকস বলটি ধরার পর ভারসাম্য বজায় রাখতে পারলেন না এবং শেষ মুহূর্তে তা বাতাসে ছুঁড়ে দিলেন। তৎক্ষণাৎ তিনি সীমানার বাইরে থেকে লাফিয়ে আবার বলটি মুঠোর মধ্যে জমিয়ে মাঠের ভিতরে ফিরে আসেন। এই চমকপ্রদ ধরা শামীমের আউটের মূল কারণ হয়ে ওঠে।
টিভি রেপ্লে দেখার পর অনেক দর্শক ও বিশ্লেষক বলের এই ধরা বৈধ কিনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তৃতীয় আম্পায়ারকে এই মুহূর্তে বড় ভুলের অভিযোগে তাড়া করা হয়, কারণ তিনি রেপ্লের কোন অংশে দৃঢ়ভাবে নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিলেন তা স্পষ্ট নয়।
টিভি আম্পায়ার গাজী সোহেল রেপ্লে দেখে দ্রুত শামীমকে আউট ঘোষণা করেন। তবে তৃতীয় আম্পায়ারের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, তিনি হয়তো রেপ্লের অন্য কোনো কোণ থেকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছেন, ফলে তার সিদ্ধান্তে কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা যায়। অধিক সময় নিলে হয়তো ভিন্ন ফলাফল হতে পারত।
শামীম হোসেনের আউটের পর স্কোরে মাত্র এক রান যোগ হয়। যদি তিনি রানে টিকে থাকতেন, তবে ম্যাচের ফলাফল কীভাবে বদলাতো তা এখনো অজানা, তবে তার দ্রুত আউটের ফলে ক্যাপিটালসের রানের গতি প্রভাবিত হয়েছে।
মইন আলি, যিনি সেই ওভারে বলটি ছুঁড়েছিলেন, ম্যাচের পর ব্রুকসের ক্যাচের প্রশংসা করে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ব্রুকসের ফিল্ডিং দক্ষতা অসাধারণ এবং তিনি দর্শকদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, এটি ব্রুকসের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের অভিজ্ঞতা এবং তিনি এই পর্যায়ে পারফরম্যান্স দেখিয়ে গর্বিত।
ক্যাচের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে মইন আলি কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত স্বরে উত্তর দেন। তিনি স্বীকার করেন যে কিছু নিয়ম আছে,



