27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাঅস্ট্রেলিয়া ৪-১ে অ্যাশেজ জিতে, জশ টাংয়ের অস্বাভাবিক উইকেটের ইতিহাস

অস্ট্রেলিয়া ৪-১ে অ্যাশেজ জিতে, জশ টাংয়ের অস্বাভাবিক উইকেটের ইতিহাস

অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজ শেষ হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া চূড়ান্ত ফলাফল ৪-১ নিয়ে সিরিজের বিজয়ী হয়ে দাঁড়িয়েছে, আর ইংল্যান্ড শেষ দুই দিনে মেলবোর্নে চতুর্থ টেস্ট জিতলেও সিরিজ হারাতে বাধ্য হয়েছে। সিরিজের শেষ টেস্টে ইংল্যান্ডের তরুণ পেসার জশ টাং তার পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছে, তিনটি টেস্টে ১৮টি উইকেট নিয়ে গড়ে ২০.১১ গড়ে গড়ে তুলেছেন।

টাংের এই ১৮টি উইকেটের মধ্যে দু’টি ট্রাভিস হেডের, যিনি ২০২৫-২৬ অ্যাশেজের শীর্ষ ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত। অ্যাডিলেডের দ্বিতীয় ইনিংসে হেডকে প্রথমবার আউট করার পর, টাং সিডনি টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনারকে ও গ্রেফতার করেন। এই ঘটনা টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবার ঘটে, যেখানে একটি বোলার যার নাম কোনো অঙ্গের (জিহ্বা) নামের সাথে মিল, অন্য একটি অঙ্গের (মাথা) নামের ব্যাটসম্যানকে আউট করেছে। ১৪৮ বছরের দীর্ঘ টেস্ট ঐতিহ্যে এ ধরনের মিল প্রথমবার দেখা যায়।

অঙ্গের নামের খেলোয়াড়দের তালিকা টেস্টের ইতিহাসে বেশ সমৃদ্ধ। ট্রাভিস হেড ও জশ টাং ছাড়াও রেজিন্যাল্ড হ্যান্ডস, ফিলিপ হ্যান্ডস, আর্চিবাল্ড পাম, ডন বিয়ার্ড, গ্রায়েম বিয়ার্ড এবং ডেভিড ব্রেইন নামগুলো উল্লেখযোগ্য। হ্যান্ডস ভাইদের উভয়ই দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণ করেন; ফিলিপ ১৯১৩ থেকে ১৯২৪ পর্যন্ত সাতটি টেস্টে অংশ নেন, আর রেজিন্যাল্ড কেবল ১৯১৪ সালে একটিই টেস্ট খেলেছেন, যেখানে উভয়ই একই ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন।

ডন বিয়ার্ড এবং গ্রায়েম বিয়ার্ডের মধ্যে কোনো পারিবারিক সম্পর্ক নেই। নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার ডন বিয়ার্ড ১৯৫২ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত চারটি টেস্টে অংশ নেন, আর অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান গ্রায়েম বিয়ার্ড ১৯৮০ সালে পাকিস্তান সফরে তিনটি টেস্টে মাঠে নামেন। আর্চিবাল্ড পাম দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯২৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে অংশ নেন।

ডেভিড ব্রেইন জিম্বাবুয়েতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত নয়টি টেস্টে ৩০টি উইকেট সংগ্রহ করেন। তিনি জিম্বাবুয়ের প্রথম টেস্ট জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, পাকিস্তানকে ইনিংস ব্যবধানে হারানোর পথে প্রথম ইনিংসে একটি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে তিনটি উইকেট নিয়ে গিয়ে দলকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নেন। তার বামহাতি পেসার হিসেবে দক্ষতা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নেওয়া উইকেটগুলো তাকে দেশের ক্রিকেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় করে তুলেছে।

এই সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার জয় এবং ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ও বোলিং পারফরম্যান্সের বিশ্লেষণ এখনো বিশ্লেষকদের আলোচনার বিষয়। টাংের অস্বাভাবিক উইকেটের রেকর্ড এবং হেডের ব্যাটিং শক্তি উভয়ই ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী রেকর্ডে নতুন অধ্যায় যোগ করেছে। পরবর্তী টেস্টের সূচি এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে এই সিরিজের শেষ মুহূর্তগুলো ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments