28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনকেটি লিউংের হ্যারি পটার ক্যাস্টিংয়ের পর অনলাইন বর্ণবাদী হয়রানি প্রকাশিত

কেটি লিউংের হ্যারি পটার ক্যাস্টিংয়ের পর অনলাইন বর্ণবাদী হয়রানি প্রকাশিত

ব্রিটিশ-হংকং মূলের অভিনেত্রী কেটি লিউং, ২০০৫ সালে “হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার” ছবিতে হ্যারি পটার (ড্যানিয়েল রেডক্লিফ) ও সেড্রিক ডিগোরির (রবের্ট প্যাটিনসন) প্রেমিক চরিত্র চো চ্যাং হিসেবে অভিনয় করেন। এই ভূমিকায় তিনি হ্যারি পটার সিরিজের শেষ পাঁচটি ছবিতে উপস্থিত হন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশাল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

লিউংের অভিনয়কালে তিনি একই সময়ে নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজ “ব্রিজারটন” এর চতুর্থ সিজনে কাজ করছেন, যেখানে তিনি নতুন চরিত্রে অভিনয় করছেন। তার ক্যারিয়ারকে এই দুই বড় প্রকল্প একসাথে সমর্থন করেছে, তবে তার তরুণ বয়সে সাফল্য সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন বর্ণবাদী মন্তব্যের ঝড়ও নিয়ে আসে।

কেটি লিউংের মতে, হ্যারি পটার ছবিতে অভিনয় করার পর থেকে তাকে ইন্টারনেটে বর্ণবাদী ও ঘৃণামূলক মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, তৎকালীন তার বয়স কিশোরবয়সের শেষের দিকে ছিল, যখন আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল এবং হঠাৎ করে পাবলিক দৃষ্টিতে আসা তাকে অস্বস্তিকর করে তুলেছিল।

সেই সময়ের তার মানসিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, হ্যারি পটার সিরিজের মাধ্যমে তিনি যে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন তা তাকে একদিকে আনন্দ দিয়েছিল, অন্যদিকে স্কুলের কঠিন পরিবেশ থেকে পালানোর উপায় হিসেবে কাজ করেছিল। তিনি স্বীকার করেন যে, স্কুলে তার অভিজ্ঞতা তেমন ভাল ছিল না, তাই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রকাশের একটি নতুন পথ খুঁজে পান।

তবে তার কৌতূহল তাকে নিজের নাম গুগল করে দেখতে উদ্বুদ্ধ করে। নিজেকে অনুসন্ধান করার সময় তিনি অনলাইনে প্রচুর ঘৃণামূলক ও বর্ণবাদী মন্তব্যের সম্মুখীন হন, যা তিনি কীভাবে মোকাবেলা করবেন তা জানতেন না। এই ধরনের মন্তব্য তার আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, এবং তিনি তা নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তায় ডুবে ছিলেন।

লিউংের মতে, এই অনলাইন আক্রমণ তার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াতেও প্রভাব ফেলেছিল। তিনি উল্লেখ করেন যে, কখনও কখনও তিনি নিজের কাজের পেছনে এই নেতিবাচক মন্তব্যগুলোকে কারণ হিসেবে দেখতেন, যা তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রভাব ফেলেছিল।

আজও তিনি “ব্রিজারটন” সিরিজে কাজ করছেন এবং তার ক্যারিয়ার পুনরায় গড়ে তোলার পথে অগ্রসর। যদিও অতীতের বর্ণবাদী মন্তব্যগুলো এখনও তার স্মৃতিতে রয়ে গেছে, তবে তিনি এখনো নিজের কাজের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সচেষ্ট।

কেটি লিউংের অভিজ্ঞতা আজকের ডিজিটাল যুগে অনলাইন বর্ণবাদ ও সাইবার হ্যারাসমেন্টের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। তার মতো তরুণ অভিনেতারা যখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্বীকৃতি পায়, তখন তাদের উপর সামাজিক মিডিয়ার চাপ বাড়ে, যা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

পাঠকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হল, অনলাইন মন্তব্যের প্রভাবকে হালকা করে না দেখা উচিত। যদি আপনি কোনো তরুণ শিল্পীর প্রতি নেতিবাচক মন্তব্য করেন, তা তাদের আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যৎকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই, সামাজিক মিডিয়ায় দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখা এবং ইতিবাচক সমর্থন প্রদান করা সকলের জন্যই উপকারী।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments