18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি গ্রাসরুট নেতাদের ওপর কঠোর পদক্ষেপের প্রস্তুতি

বিএনপি গ্রাসরুট নেতাদের ওপর কঠোর পদক্ষেপের প্রস্তুতি

বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি গ্রাসরুট স্তরে এমন নেতাদের ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যারা পার্টির প্রার্থীকে সমর্থন না করে স্বাধীনভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এই নেতাদের তথ্য সংগ্রহ করে পার্টি ভবিষ্যতে শৃঙ্খলাবদ্ধ ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।

নেতাদেরকে পার্টির প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে নির্দেশ দেওয়া হবে, অন্যথায় কঠোর সাংগঠনিক পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে। পার্টি সূত্র অনুযায়ী, যদি এই নেতারা পার্টির নির্দেশ মেনে চলে তবে তাদেরকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে বা পার্টির বিভিন্ন পদে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

প্রায় এক ডজন সিটে দুইজন প্রার্থীকে টিকিট প্রদান করা হয়েছে, যা গ্রাসরুট স্তরে বিভাজন সৃষ্টি করেছে। এই বিভাজনকে কমাতে পার্টি নেতৃত্বের কাছ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা চাওয়া হচ্ছে।

একজন পার্টি কর্মকর্তার মন্তব্যে বলা হয়েছে, “একই সিটে ১১ থেকে ১২টি সিটে দুইজন প্রার্থী নামাঙ্কিত হয়েছে। প্রতিনিধিত্বের আইন অনুযায়ী, পার্টির নির্বাচনী চিহ্ন পায় এমন প্রার্থীই সরকারী প্রার্থী হিসেবে স্বীকৃত হবে, অন্যজনের প্রভাব কমে যাবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের সিটে পার্টি কর্মীরা দু’জনের পক্ষে কাজ করা স্বাভাবিক, তবে চিহ্ন বরাদ্দের পর সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।”

প্রতিবাদীভাবে স্বাধীনভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যারা পার্টির নির্দেশনা লঙ্ঘন করে স্বাধীনভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গত সাত দিনে পার্টি দশজন নেতাকে বহিষ্কার করেছে, যাঁরা স্বাধীনভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য পার্টির নির্দেশনা উপেক্ষা করেছিল। এই বহিষ্কারকে পার্টি শৃঙ্খলা বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রায় চার ডজন সিটে নামাঙ্কিত নেতারা পার্টির কার্যকরী চেয়ারম্যান তারিক রহমানকে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে গ্রাসরুট নেতাদের পার্টির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া যায়। এই আহ্বান পার্টির অভ্যন্তরে সমন্বয় ও ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।

স্থানীয় স্তরে পার্টির নেতাদের অমিল ও অসন্তোষ বাড়ছে, কারণ কিছু গ্রাসরুট নেতা পার্টির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে অনিচ্ছুক। এই অবস্থা পার্টির সমন্বয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।

মুন্সিগঞ্জ-৩ সিটে, কেন্দ্রীয় কমিটির সামাজিক কল্যাণ বিষয়ক সচিব কুমরুজ্জামান রতনকে প্রার্থী হিসেবে নামাঙ্কিত করা হয়েছে। তবে জেলা স্তরের বিএনপি সদস্য সচিবের সঙ্গে সমন্বয় না হওয়ায় স্থানীয় নেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, যদি পার্টি দ্রুত গ্রাসরুট স্তরে সমন্বয় না করে এবং প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় কঠোর শৃঙ্খলাবদ্ধ পদক্ষেপ না নেয়, তবে নির্বাচনী সময়ে পার্টির পারফরম্যান্সে বড় ধাক্কা লাগতে পারে। তাই পার্টি নেতৃত্বের কাছ থেকে ত্বরিত নির্দেশনা ও সমন্বয় প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments