27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনহ্যান্স জিমার 'F1' ছবির তৃতীয় রেসিং সাউন্ডট্র্যাক, ব্র্যাড পিট‑ড্যামসন ইদ্রিসের সঙ্গে

হ্যান্স জিমার ‘F1’ ছবির তৃতীয় রেসিং সাউন্ডট্র্যাক, ব্র্যাড পিট‑ড্যামসন ইদ্রিসের সঙ্গে

জার্মান সঙ্গীতশিল্পী হ্যান্স জিমার ফরমুলা ১ ভিত্তিক নতুন চলচ্চিত্রের সাউন্ডট্র্যাক রচনা করছেন, যা তার তৃতীয় রেসিং থিমের কাজ। ছবির নাম “F1”, এতে ব্র্যাড পিট ও ড্যামসন ইদ্রিস প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করছেন। প্রযোজক জেরি ব্রুকিশার, পরিচালক জোসেফ কোসিনস্কি, এবং ফর্মুলা ১ চ্যাম্পিয়ন লুইস হ্যামিলটন প্রোডিউসার হিসেবে যুক্ত।

জিমার প্রথম রেসিং চলচ্চিত্র ছিল ১৯৯০ সালের “ডেজ অব থান্ডার”, আর দ্বিতীয়টি ২০১৩ সালের “রাশ”। উভয় ছবিই গাড়ি দৌড়ের উত্তেজনা ও গতি প্রকাশে সঙ্গীতের ভূমিকা তুলে ধরেছে। “F1” প্রকল্পটি তাকে আবারও গতি, রোমান্স এবং উত্তেজনা একত্রে প্রকাশের সুযোগ দিচ্ছে।

চলচ্চিত্রটি একটি অপ্রচলিত দলে ঘোরে, যেখানে পিট ও ইদ্রিসের চরিত্রগুলো একসাথে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। গল্পের মূল থিম হল দলগত সংহতি এবং রেসিংয়ের ঝুঁকি। জিমার মন্তব্যে তিনি বলেন, রেসকারের সাহসিকতা ও পাগলামি সঙ্গীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা চ্যালেঞ্জিং।

সাউন্ডট্র্যাকের জন্য জিমার প্রথমে স্ক্রিপ্টটি পড়ে ইলেকট্রনিক সাউন্ডের ব্যবহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন, যাতে ফর্মুলা ১ ইঞ্জিনের গর্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকে। একই সঙ্গে তিনি অর্কেস্ট্রার উপস্থিতি বজায় রাখতে চেয়েছেন, কারণ তিনি অর্কেস্ট্রার সমর্থনে বিশ্বাসী।

ইলেকট্রনিক উপাদান এবং ক্লাসিক অর্কেস্ট্রার মিশ্রণ তাকে আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী সুরের সেতু গড়তে সাহায্য করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে অর্কেস্ট্রা বজায় রাখা জরুরি, তাই সঙ্গীতের মধ্যে তার স্থান নিশ্চিত করা দরকার।

জিমার এই প্রকল্পকে তিনি রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে মুক্ত, প্রযুক্তি ও মজা নিয়ে গঠিত হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি চান দর্শক সিনেমা হলে বসে গাড়ির গতি, প্রযুক্তির চমক এবং হালকা মেজাজের আনন্দ উপভোগ করুক।

সাউন্ডট্র্যাকের রচনায় জিমার সহ-সংগীতশিল্পী স্টিভ মাজারোও যুক্ত ছিলেন। দুজনের সহযোগিতা চলচ্চিত্রের বিভিন্ন দৃশ্যে ভিন্ন ভিন্ন সুরের রঙ যোগ করেছে। বিশেষ করে প্রথম দৃশ্যে তারা পূর্বের কাজের তুলনায় ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন।

প্রারম্ভিক দৃশ্যের সুরটি দ্রুতগতির রেসের উত্তেজনা প্রকাশে ইলেকট্রনিক বিটের সঙ্গে অর্কেস্ট্রাল স্ট্রিংসের সমন্বয় ঘটিয়েছে। এই পদ্ধতি পূর্বের রেসিং ছবিগুলোর তুলনায় নতুন স্বাদ এনে দিয়েছে।

সাউন্ডট্র্যাকের সামগ্রিক শৈলী ভবিষ্যতধর্মী, তবে ১৯৮০-এর দশকের সাউন্ডও অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা পুরনো স্মৃতি ও আধুনিক প্রযুক্তির মিশ্রণ ঘটায়। জিমার মতে, এই সংমিশ্রণ দর্শকের কাছে পরিচিতি ও তাজা অনুভূতি দুটোই এনে দেয়।

জিমার উল্লেখ করেন, রেসকার হতে হলে পাগল হওয়া দরকার, এবং এই ধারণা সঙ্গীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা তার লক্ষ্য। তিনি চান শোনার সময় দর্শক গাড়ির গতি, ঝুঁকি এবং রোমান্সের অনুভূতি পায়।

চলচ্চিত্রের সাউন্ডট্র্যাক শেষ পর্যন্ত দর্শকের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হবে, এটাই জিমারের প্রধান উদ্দেশ্য। তিনি বিশ্বাস করেন, সিনেমা হলের অন্ধকারে সুরের শক্তি মানুষকে আনন্দের মুহূর্ত দেয়।

এই নতুন রেসিং চলচ্চিত্রের সঙ্গীতের মাধ্যমে হ্যান্স জিমার রেসিং জগতের সঙ্গে তার সংযোগ আরও দৃঢ় হবে, এবং ফর্মুলা ১ প্রেমিকদের জন্য নতুন সঙ্গীতের অভিজ্ঞতা তৈরি হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments