ঢাকার ইউজিসি অডিটোরিয়ামে বৃহস্পতিবার বিকেলে উচ্চশিক্ষা তদারকি সংস্থার চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজের প্রধান অতিথি বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানানো হয়। তিনি সংস্থার মর্যাদা সংরক্ষণে সকল সংশ্লিষ্টের নিষ্ঠা ও সততা দাবি করেন এবং মিথ্যা তথ্যের বিস্তার রোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
চেয়ারম্যানের মতে, ইউজিসির সুনাম ক্ষুন্ন করতে পারে এমন কোনো গুজব বা ভুল তথ্য ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সংস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যানের বক্তব্যের পর, নতুন কমিটির সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানো হয়। শপথে তারা সংস্থার নীতি মেনে চলা, কর্মক্ষেত্রের ন্যায়বিচার রক্ষা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি জানায়।
অনুষ্ঠানের শেষে ইউজিসির সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম উপস্থিতি নিশ্চিত করে এবং অনুষ্ঠানের মূল তথ্য উপস্থাপন করেন। তিনি নতুন কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেন।
চেয়ারম্যান ফায়েজের বক্তব্যে তিনি সংস্থার কার্যক্রমকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা এবং সকল কর্মীর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণে সংস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব এবং প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তারা সংস্থার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
ইউনিয়নের সদ্য বিদায়ি সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। তিনি নতুন কমিটির কাজের দিকনির্দেশনা ও লক্ষ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
অনুষ্ঠানে ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ওমর ফারুখ, সাধারণ সম্পাদক মো. মহিবুল আহসান, কর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. নাজমুল হাসান এবং সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন খানও বক্তব্য রাখেন। প্রত্যেকেই সংস্থার স্বচ্ছতা ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নের জন্য তাদের দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করেন।
কমিশনের বিভিন্ন বিভাগের পরিচালকবৃন্দ, ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের অংশগ্রহণ নতুন কমিটির কাজের সমর্থন ও সহযোগিতা নিশ্চিত করে।
এই ধরনের অনুষ্ঠান ও শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সংস্থার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নৈতিক মানদণ্ডকে শক্তিশালী করা যায়। শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার বজায় রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
আপনার মতামত কী? আপনি কি মনে করেন, উচ্চশিক্ষা তদারকি সংস্থার মর্যাদা বাড়াতে কর্মচারী ইউনিয়নের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? আপনার মন্তব্য শেয়ার করুন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত তা নিয়ে আলোচনা করুন।



