20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিখাগড়াছড়ি রামগড় স্থলবন্দরে অবৈধ পাহাড় কাটা নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন

খাগড়াছড়ি রামগড় স্থলবন্দরে অবৈধ পাহাড় কাটা নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন ৮ জানুয়ারি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় স্থলবন্দরে অনুমতি ছাড়া পাহাড় কেটে জমি ভরাটের অভিযোগের ওপর ত্রি-সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। অভিযোগের মূল বিষয় হল পরিবেশগত নীতি লঙ্ঘন এবং অবৈধ ভূমি ব্যবহার।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দায়িত্বে ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ, যিনি প্রেস রিলিজে উপদেষ্টার নির্দেশকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। প্রকাশিত নথিতে কমিটির কাজের সময়সীমা এবং দায়িত্বের বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

গঠিত কমিটিতে তিনজন বিশেষজ্ঞ অন্তর্ভুক্ত, যাদেরকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত সম্পন্ন করে বিশদ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। সময়সীমা পূরণে দ্রুত কাজের প্রত্যাশা করা হয়েছে, যাতে বিষয়টি দ্রুত পরিষ্কার হয়।

ড. সাখাওয়াত হোসেন পরিবেশ সংরক্ষণকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, যদি পাহাড় কাটা বা জমি ভরাটের কাজ অবৈধ প্রমাণিত হয়, তবে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার গুরুত্ব পুনরায় জোর দেন।

এছাড়া, হোসেন জানান যে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে নির্মিত রামগড় স্থলবন্দরের আর্থিক লাভ-ক্ষতির পুনর্মূল্যায়নের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে। এই দলটির বিশ্লেষণ ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তদন্ত কমিটির কাজের পাশাপাশি অর্থনৈতিক পর্যালোচনা কমিটির ফলাফল সরকারকে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। উভয় কমিটির রিপোর্ট একত্রে পরিবেশ ও অর্থনৈতিক দিক থেকে সমন্বিত সিদ্ধান্তের ভিত্তি হবে।

এই পদক্ষেপের ফলে রামগড় স্থলবন্দরের উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগ কমবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। তবে, কিছু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক এই তদন্তকে সরকারের পরিবেশ নীতি বাস্তবায়নের পরীক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন।

কমিটির কাজের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিভাগকে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি বা নীতিগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেবে। এই প্রক্রিয়া সরকারকে পরিবেশ সংরক্ষণে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার সংকেত দেবে।

রামগড় স্থলবন্দরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এখন এই দুই কমিটির ফলাফলের ওপর নির্ভরশীল, যা প্রকল্পের টেকসইতা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রভাব ফেলবে।

অবশেষে, সরকার পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি দেশের বাণিজ্যিক অবকাঠামোর কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে চায়, যা এই তদন্তের মূল লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments