ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া ২০২৫-২৬ আশেস সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার হাতে ৪-১ স্কোরে শেষ হয়েছে। ফলস্বরূপ, ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) এই পরাজয়ের পর একটি সম্পূর্ণ পর্যালোচনা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আশেস সিরিজটি পাঁচটি টেস্ট ম্যাচের সমন্বয়ে গঠিত, প্রতিটি ম্যাচ সর্বোচ্চ পাঁচ দিন পর্যন্ত চলতে পারে। এই ঐতিহাসিক সিরিজে ইংল্যান্ড মাত্র একটিই ম্যাচ জিততে পেরেছে, আর বাকি চারটি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া বিজয়ী রয়ে গিয়েছে। সিরিজের ফলাফল ইংল্যান্ডের জন্য একটি বড় ধাক্কা, যা দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
ইসিবির প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গল্ড উল্লেখ করেছেন যে, এই পরাজয় থেকে শিখে দ্রুত উন্নতি করা জরুরি। তিনি বলেন, পর্যালোচনা প্রক্রিয়ায় সব দিক থেকে শিক্ষা নেওয়া হবে এবং তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দলকে শক্তিশালী করা হবে। গল্ডের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, ইসিবি এই ট্যুরের অভিজ্ঞতাকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করবে।
পর্যালোচনায় দল গঠন, কোচিং পদ্ধতি, খেলোয়াড়ের প্রস্তুতি, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং ম্যানেজমেন্টের সব স্তর বিশ্লেষণ করা হবে। ইসিবি এই কাজকে ত্বরান্বিত করে ২০২৭ সালের আশেস সিরিজে পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে কাজ করবে। এই লক্ষ্যকে অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তনগুলোকে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে গল্ড জোর দিয়েছেন।
আশেস সিরিজের পরবর্তী মুখোমুখি ২০২৭ সালে ইংল্যান্ডের ঘরে অনুষ্ঠিত হবে। ইসিবি এই সিরিজকে পুনরায় শিরোপা জয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে এবং তার জন্য এখন থেকে গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে ভিত্তি করে প্রস্তুতি নেওয়া হবে। গল্ডের মতে, এই ট্যুর থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাগুলোকে কার্যকর করে দলকে পুনরায় শীর্ষে নিয়ে যাওয়া হবে।
পর্যালোচনা প্রক্রিয়ায় কোচ, খেলোয়াড়, বিশ্লেষক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত সংগ্রহ করা হবে। ইসিবি এই প্রক্রিয়ার ফলাফল জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে সমর্থক ও সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
আশেস সিরিজ ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সবচেয়ে পুরনো ও মর্যাদাপূর্ণ টেস্ট সিরিজ, যা দুই দেশের ক্রিকেটের ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে। এই সিরিজের ফলাফল উভয় দেশের ক্রিকেটের দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইসিবি এখন থেকে গৃহীত পদক্ষেপগুলো ভবিষ্যৎ সফলতার ভিত্তি গড়ে তুলবে এবং ইংলিশ ক্রিকেটকে পুনরায় শীর্ষে ফিরিয়ে আনবে।



