টনি ডোকুপিল ৫ জানুয়ারি সোমবার সিবিএস ইভনিং নিউজের অ্যানকর চেয়ারে বসে প্রথমবারের মতো সংবাদ পরিবেশন করেন। নিলসেনের তথ্য অনুযায়ী, ঐ দিন প্রোগ্রামটি মোট ৪.৩৭ মিলিয়ন দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যেখানে ২৫-৫৪ বয়সের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৫৯৬,০০০ জন ছিলেন। এই সংখ্যা সিবিএসের সিজন গড়ের তুলনায় যথাক্রমে ৯ শতাংশ এবং ২০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
সিজন গড়ে মোট দর্শকসংখ্যা ৪.০২ মিলিয়ন এবং একই বয়সসীমার গড় ছিল প্রায় ৪৯৮,৫০০। ডোকুপিলের প্রথম সপ্তাহের সন্ধ্যায় এই উন্নতি সিবিএসের জন্য ইতিবাচক সূচক হলেও, এফবিসি এবং এনবিসির সঙ্গে পার্থক্য এখনও বড়।
সেই একই সময়ে, এবিসি’র ওয়ার্ল্ড নিউজ টুনাইট ৮.২৪ মিলিয়ন দর্শকের সঙ্গে শীর্ষে রইল, আর এনবিসি নাইটলি নিউজ ৭.২১ মিলিয়ন দর্শকের সঙ্গে দ্বিতীয় স্থান দখল করে। ডেমোগ্রাফিক দিক থেকে, এনবিসি ২৫-৫৪ বয়সের গ্রুপে প্রায় ১.১ মিলিয়ন দর্শকের সঙ্গে অগ্রগামী, আর এবিসি ১.০২ মিলিয়ন দর্শক পেয়েছে। সিবিএসের ৫৯৬,০০০ দর্শক এই গোষ্ঠীতে এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে।
ডোকুপিলের অ্যানকর ডেবিউটি মূলত শনিবার, ৩ জানুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের ভেনেজুয়েলা নেতা নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করার সামরিক অভিযান পরেই অগ্রিম করা হয়। এই অপ্রত্যাশিত সূচনায় দর্শকরা নতুন মুখের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন।
ডেকেম্বরে ডোকুপিলকে সিবিএস ইভনিং নিউজের অ্যানকর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যেখানে তিনি পূর্বে সিবিএস মর্নিংসের সহ-হোস্ট হিসেবে কাজ করতেন। তিনি জন ডিকারসন ও মার্সি ডুবোয়েসের পদে বসে, এবং সিবিএসের প্রধান সম্পাদক তখনই উল্লেখ করেন যে ডোকুপিলের উপস্থিতি দর্শকদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।
বছরের পর বছর ধরে সিবিএস ৬:৩০ অপরাহ্নের সংবাদ সময়ে তৃতীয় স্থানে আটকে রয়েছে। এই ঐতিহাসিক অবস্থানকে ভাঙতে নতুন অ্যানকরকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়, এবং ডেবিউ রাতের ফলাফল যদিও সামান্য উন্নতি দেখায়, তবু তা দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট নয়।
বিশ্লেষকরা এক রাতের রেটিংকে ভবিষ্যৎ প্রবণতার সূচক হিসেবে দেখেন না; ডোকুপিলের অ্যানকরিত্বের প্রকৃত প্রভাব পরবর্তী মাস ও বছরগুলোতে প্রকাশ পাবে। ধারাবাহিকভাবে দর্শকসংখ্যা, বিশেষ করে মূল ডেমোগ্রাফিক গ্রুপে, কীভাবে পরিবর্তিত হয় তা সিবিএসের র্যাঙ্কিংকে পুনর্গঠন করতে পারে।
পাঠক হিসেবে আমরা সংবাদ গ্রহণে বিচিত্র সূত্রের দিকে নজর দেওয়া উচিত। সিবিএসের নতুন অ্যানকরের পারফরম্যান্সে নজর রাখার পাশাপাশি, এবিসি ও এনবিসির প্রোগ্রামও তুলনা করে দেখা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সমৃদ্ধ করবে এবং তথ্যের পূর্ণতা নিশ্চিত করবে।



