22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাওয়েস্ট হ্যামের নটিংহাম ফরেস্টের বিপক্ষে ম্যাচে প্রকৃত উপস্থিতি প্রায় অর্ধেক

ওয়েস্ট হ্যামের নটিংহাম ফরেস্টের বিপক্ষে ম্যাচে প্রকৃত উপস্থিতি প্রায় অর্ধেক

লন্ডন স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতের প্রিমিয়ার লীগ ম্যাচে ওয়েস্ট হ্যাম ২-১ স্কোরে নটিংহাম ফরেস্টের কাছে হেরে গেল। ক্লাবের অফিসিয়াল রেকর্ডে উপস্থিতি ৬২,৪২৯ বলা হয়েছে, তবে টার্নস্টাইলের প্রকৃত গননা প্রায় ৩৪,০০০ বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই পার্থক্যটি দলটির ভক্তদের কম আগ্রহ এবং রিলিগেশন লড়াইয়ের সময় ঘরের সমর্থনের ঘাটতি প্রকাশ করে।

ম্যাচের দিন ক্লাবের মার্কেটিং টিম টিকিটের প্রাপ্যতা সম্পর্কে নোটিফিকেশন পাঠায়, প্রধানত টিকিট এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে। তদুপরি, ক্রিসমাসের সময় সীমিত সময়ের সেল চালু করা হয়, যেখানে উপরের স্তরের ব্যান্ড ১ থেকে ৬ পর্যন্ত সিটের দাম ৩০% পর্যন্ত কমিয়ে ২৩:৫৯ পর্যন্ত বিক্রি করা হয়। এই প্রচেষ্টা সত্ত্বেও স্টেডিয়ামের অনেক সিট খালি রইল, যা ভক্তদের উপস্থিতি না আসার স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

টিকিট এক্সচেঞ্জের ব্যবহার বাড়ার কারণ হল অনেক সিজন টিকিটধারী ম্যাচে না যাওয়ার পরিকল্পনা করে তাদের সিট পুনরায় তালিকাভুক্ত করেছে। এই পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেখা যায় যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভক্ত টিকিট কিনে রেখেও উপস্থিত হতে চায়নি। ফলে স্টেডিয়ামের আসন দখল করার প্রকৃত সংখ্যা ক্লাবের ঘোষিত সংখ্যার তুলনায় অর্ধেকের কাছাকাছি।

ওয়েস্ট হ্যাম প্রায়ই বিক্রি হওয়া টিকিটের সংখ্যা ভিত্তিক উপস্থিতি রিপোর্ট করে, যা পূর্ণ ঘরের ছাপ তৈরি করতে পারে। তবে খালি সিটের দৃশ্য এবং টিকিটধারী ভক্তদের অনুপস্থিতি এই পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করে। উদাহরণস্বরূপ, অক্টোবর মাসে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে খেলা হলে ক্লাব ৬২,৪৫২ উপস্থিতি দাবি করলেও ভক্তদের ব্যাপক বয়কটের কারণে স্টেডিয়াম বেশিরভাগই ফাঁকা ছিল।

লন্ডন স্টেডিয়ামের ফুটবল ক্ষমতা ৬২,৫০০, আর ওয়েস্ট হ্যাম ২০১৬ সালে আপটন পার্ক থেকে এখানে স্থানান্তরিত হয়েছে। স্থানান্তরের পর থেকে ভক্তদের মধ্যে দূরত্ব, গেমের পরিবেশ এবং ভিজিটিং দলগুলোর ভক্তদের হোম সেকশনে বসার বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ বাড়ছে। এই সমস্যাগুলি ক্লাবের ঘরের মঞ্চে উত্সাহের ঘাটতি বাড়িয়ে তুলেছে।

রিলিগেশন ঝুঁকি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তদের অসন্তোষও তীব্রতর হয়েছে। নটিংহাম ফরেস্টের ম্যাচের দিন টিকিট এক্সচেঞ্জে প্রচুর সিট খালি দেখানো মানে হল সিজন টিকিটধারীরা, যারা সাধারণত স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকেন, তারা এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই প্রবণতা ক্লাবের আর্থিক ও মানসিক অবস্থার উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।

ক্লাবের প্রচারমূলক প্রচেষ্টা, যেমন ক্রিসমাস সেল এবং টিকিটের রিমাইন্ডার, যদিও বড় পরিসরে চালু করা হয়, তবু ভক্তদের মনোযোগ আকর্ষণে ব্যর্থ হয়েছে। উপস্থিতি সংখ্যার বড় পার্থক্যটি দেখায় যে শুধুমাত্র মূল্য হ্রাস এবং বিজ্ঞাপন দিয়ে ভক্তদের ফিরে আনা কঠিন।

ওয়েস্ট হ্যামের ভক্তগোষ্ঠী দীর্ঘ সময় ধরে ক্লাবের পরিচালনা, টিকিটের দাম এবং স্টেডিয়ামের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছে। এই অসন্তোষ রিলিগেশন লড়াইয়ের সময় আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, যা ভবিষ্যতে ক্লাবের পারফরম্যান্স এবং আর্থিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

সারসংক্ষেপে, লন্ডন স্টেডিয়ামে নটিংহাম ফরেস্টের বিপক্ষে ওয়েস্ট হ্যামের ম্যাচে ক্লাবের ঘোষিত উপস্থিতি ৬২,৪২৯ হলেও প্রকৃত উপস্থিতি প্রায় অর্ধেক, অর্থাৎ ৩৪,০০০ের কাছাকাছি। ভক্তদের কম আগ্রহ, টিকিট এক্সচেঞ্জের উচ্চ ব্যবহার এবং স্টেডিয়ামের কাঠামোগত সমস্যাগুলি এই ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ক্লাবের জন্য এখন সময় এসেছে ভক্তদের সঙ্গে পুনরায় সংযোগ স্থাপন, টিকিটের নীতি পুনর্বিবেচনা এবং স্টেডিয়ামের অভিজ্ঞতা উন্নত করার। না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় উপস্থিতি ঘাটতি এবং রিলিগেশন ঝুঁকি বাড়তে পারে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments