22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টার্মার: ইউক্রেনের শান্তি চুক্তিতে সেনা পাঠের জন্য পার্লামেন্টের ভোট প্রয়োজন

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টার্মার: ইউক্রেনের শান্তি চুক্তিতে সেনা পাঠের জন্য পার্লামেন্টের ভোট প্রয়োজন

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কীর্স স্টার্মার সাম্প্রতিক পার্লামেন্টের প্রশ্নোত্তর সেশনে জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের সংঘাত সমাধানের কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের পর ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে দেশের মধ্যে পাঠানোর বিষয়ে সংসদের ভোট নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই পদক্ষেপটি সামরিক হস্তক্ষেপের জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন চাওয়ার সাম্প্রতিক প্রথার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী জানান, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স উভয়ই রাশিয়ার পুনরায় আক্রমণ রোধে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর সেনা পাঠানোর ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেছে। উভয় দেশই ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

স্টার্মার কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যক সৈন্যের কথা বলেননি; তিনি বললেন যে, সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা দেশের সামরিক নীতি ও কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। এই বিষয়টি ভবিষ্যতে আরও বিশদে জানানো হবে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরে তিনি উল্লেখ করেন, শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর ব্রিটিশ সৈন্যরা ‘নিরোধক অপারেশন’ চালাবে এবং মিত্র দেশগুলো যে নতুন সামরিক হাব গড়ে তুলবে সেগুলো রক্ষা করবে। এই হাবগুলো ইউক্রেনের ভূখণ্ডে গঠন করা হবে বলে ধারণা।

প্রেস সেক্রেটারি পরে মিডিয়াকে জানান যে, দীর্ঘমেয়াদী সেনা মোতায়েনের আগে পার্লামেন্টের অনুমোদন নিতে হবে। তবে তিনি এই বিষয়টি স্পষ্ট করেননি যে, সংসদের ভোটে যদি সরকারী প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়, তবে তা সরকারের হাতে কোনো বাধ্যবাধকতা আরোপ করবে কিনা।

মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স একটি ‘ইচ্ছা প্রকাশের ঘোষণাপত্র’ স্বাক্ষর করেছে, যেখানে উভয় দেশই আকাশ, ভূমি ও সমুদ্রের মাধ্যমে ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এই ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে যে, ইউক্রেন তার ভূখণ্ডে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও অন্যান্য মিত্রদের ‘প্রয়োজনীয় সব উপায়, যার মধ্যে বলপ্রয়োগও অন্তর্ভুক্ত’ ব্যবহার করার অনুমতি দেবে।

এছাড়াও, মিত্র দেশগুলো ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা গ্যারান্টি প্রদান এবং কোনো চুক্তি ভঙ্গ না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ত্রাণ পর্যবেক্ষণের প্রধান ভূমিকা নিতে প্রস্তাব করেছে। এই নিরাপত্তা গ্যারান্টিগুলো চুক্তি বাস্তবায়নের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই উদ্যোগটি ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ নামে পরিচিত একটি গোষ্ঠীর নয় মাসের আলোচনার ফল, যেখানে ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা গ্যারান্টি এবং যুদ্ধ শেষ করার পৃথক আলোচনার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্টার্মার জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া কোনো শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

সংসদীয় ভোটের প্রয়োজনীয়তা যুক্তরাজ্যের বিদেশ নীতি ও ন্যাটো সহযোগিতার ওপর প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। যদি পার্লামেন্ট অনুমোদন না দেয়, তবে ব্রিটেনের সামরিক অংশগ্রহণ সীমিত হতে পারে, যা ইউক্রেনের নিরাপত্তা গ্যারান্টি এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনের ভারসাম্যকে পরিবর্তন করতে পারে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments