27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeস্বাস্থ্যবিমান বীমানের লন্ডন গমনকারী ফ্লাইটে যাত্রী মৃত্যু, জরুরি অবতরণে প্রশ্ন উত্থাপিত

বিমান বীমানের লন্ডন গমনকারী ফ্লাইটে যাত্রী মৃত্যু, জরুরি অবতরণে প্রশ্ন উত্থাপিত

ঢাকা‑সিলেট‑লন্ডন রুটে পরিচালিত বিমান বীমান (BG 201) ফ্লাইটে ৩১ ডিসেম্বর এক যাত্রী অস্বস্তি অনুভব করে, চিকিৎসা সহায়তা না পেয়ে ফ্লাইটের শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনাটি সিলেট থেকে রওনা হওয়ার পর পাকিস্তানের লাহোরের নিকটবর্তী আকাশে ঘটেছে।

ফ্লাইটটি সিলেট থেকে রওনা হওয়ার পর পাকিস্তানের সীমান্ত অতিক্রম করে, লাহোরের কাছাকাছি অবস্থানেই যাত্রীর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। ক্যাবিন ক্রু তৎক্ষণাৎ মেডিকেল সহায়তার আবেদন জানায় এবং বিমানে থাকা একজন ডাক্তার রোগীর প্রাথমিক যত্ন নেন। তবে ডাক্তার রোগীর অবস্থা সম্পর্কে চূড়ান্ত নির্ণয় দিতে পারেননি।

যাত্রীর অবস্থার তীব্রতা সত্ত্বেও, ক্যাপ্টেন আলিয়া মান্নান ফ্লাইটকে নিকটবর্তী কোনো বিমানবন্দরে অবতরণ না করে ঢাকা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেই সময়ে ঢাকা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টার দূরত্বে ছিল, যদিও লাহোরের নিকটবর্তী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে অবতরণ করা সম্ভব ছিল।

ঢাকায় পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের চিকিৎসক জানান, যাত্রী ফ্লাইটের সময়ই মৃত্যুবরণ করেছেন। বিমানবন্দরের মেডিকেল টিমের মতে, রোগীর মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে জরুরি অবতরণ না করা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে রয়ে গেছে।

ফ্লাইটে থাকা কিছু যাত্রী এই সিদ্ধান্তকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দাবি করেন, নিকটবর্তী বিমানবন্দরে অবতরণ করলে যাত্রীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হতে পারত। তাদের মতে, জরুরি চিকিৎসা সেবা পাওয়ার জন্য সময়সীমা অত্যন্ত সংকীর্ণ ছিল।

বিমান বীমান এই ঘটনার পর একটি ত্রিকক্ষীয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটির প্রধান হিসেবে ক্যাপ্টেন মো. এনামুল হক, যিনি ফ্লাইট সেফটির প্রধান, নিযুক্ত করা হয়েছে। কমিটি ফ্লাইটের রেকর্ড, ক্যাবিন ক্রু ও মেডিকেল স্টাফের বিবরণী এবং পাইলটের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ বিশ্লেষণ করবে।

বিমান বীমানের অভ্যন্তরে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অনুরূপ মেডিকেল জরুরি পরিস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। একই সময়ে, ফ্লাইটের সংখ্যা তুলনায় এই ধরনের ঘটনার হার আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় বেশি হওয়ায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ বাড়ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিমান চলাচলে জরুরি চিকিৎসা সেবার গুরুত্ব তুলে ধরছেন। তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দূরত্বের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে মেডিকেল কিটের পর্যাপ্ততা, প্রশিক্ষিত ক্যাবিন ক্রু এবং বিমানবন্দরের নিকটবর্তী জরুরি সেবা ব্যবস্থা থাকা জরুরি। এছাড়া, পাইলটের সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্পষ্ট প্রোটোকল থাকা উচিত, যাতে রোগীর জীবন রক্ষার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

এই ঘটনার পর, বিমান যাত্রীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং বিমান সংস্থাগুলোর মেডিকেল জরুরি পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। আপনি কি মনে করেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে জরুরি অবতরণ নীতি ও মেডিকেল প্রস্তুতি আরও কঠোর করা উচিত?

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
AI-powered স্বাস্থ্য content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments