বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি প্রকাশিত একটি বিবৃতি দিয়ে ইসিসি (আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল) থেকে উল্টিমেটাম সম্পর্কিত কোনো দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। এ বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬‑এ বাংলাদেশের দলকে সম্পূর্ণ ও নিরবচ্ছিন্নভাবে অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
ইসিসি জানিয়েছে যে, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে ইচ্ছুক এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোনো উদ্বেগ সমাধানে সহযোগিতা করবে। ইসিসি আরও উল্লেখ করেছে যে, বিসিবি থেকে প্রাপ্ত পরামর্শ ও প্রস্তাবনা নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিস্তারিত অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
বিসিবি এই তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে ইসিসি ও সংশ্লিষ্ট ইভেন্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ বজায় রাখবে বলে জানিয়েছে। বোর্ডের লক্ষ্য হল পেশাদারী ও সহযোগিতামূলক পদ্ধতিতে একটি বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করা, যাতে দলটি টি২০ বিশ্বকাপের প্রতিযোগিতায় কোনো বাধা ছাড়াই অংশ নিতে পারে।
বিসিবি জোর দিয়ে বলেছে যে, দলের নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং সুস্থতা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হবে। এই নীতির ভিত্তিতে তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতিটি দিককে সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
দলটির আন্তর্জাতিক সফর ১১ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৪ জানুয়ারি শেষ হবে। এই সময়কালে দলটি টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চূড়ান্ত আলোচনা সম্পন্ন করবে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইসিসি ও বিসিবি’র মধ্যে নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, যা কিছু মিডিয়া আউটলেটের ভুল ব্যাখ্যার ফলে উদ্ভূত হয়। তবে বর্তমান বিবৃতি স্পষ্ট করে যে, উল্টিমেটাম বা কোনো বাধ্যতামূলক শর্ত আরোপের কোনো ইঙ্গিত নেই।
বিসিবি উল্লেখ করেছে যে, ইসিসি’র সঙ্গে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থার সব দিককে সমন্বিত করা হবে, যাতে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সহায়ক কর্মীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হয়। এই প্রচেষ্টা টি২০ বিশ্বকাপের সফলতা ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতি রক্ষার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
অবশেষে, বিসিবি পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে, দলটি টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬‑এ সম্পূর্ণভাবে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে ইসিসি’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। এই সমন্বয়মূলক পদক্ষেপগুলো টুর্নামেন্টের মসৃণ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের সুনাম বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



