প্যানোরামা স্টুডিওস এবং মালয়ালমের জনপ্রিয় অভিনেতা-প্রযোজক নিভিন পাউলি ১০০ কোটি রুপি মূল্যের একটি বহু-ফিল্ম চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তি মালয়ালম ভাষায় একাধিক বৈশিষ্ট্যপূর্ণ চলচ্চিত্রের উৎপাদনকে অন্তর্ভুক্ত করবে এবং সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ সহযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চুক্তির মূল অংশীদার হিসেবে প্যানোরামা স্টুডিওসের প্রতিষ্ঠাতা কুমার মঙ্গট পাথক এবং তার পুত্র অভিষেক পাথক যুক্ত আছেন। নিভিন পাউলি নিজেও প্রযোজক হিসেবে কাজ করবেন, ফলে তিনজনের যৌথ প্রযোজনায় গল্পের গুণমান ও বাণিজ্যিক আকর্ষণ দুটোই সমন্বিত হবে।
এই সহযোগিতার আওতায় একাধিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র তৈরি হবে, যেগুলো বিভিন্ন ধারায় বিস্তৃত হবে। রোমান্স, থ্রিলার, কমেডি, সামাজিক বিষয়ক ইত্যাদি বিভিন্ন শৈলীর মিশ্রণে গল্পগুলো গড়ে তোলা হবে, যাতে দর্শকের বৈচিত্র্যময় রুচি পূরণ হয়।
প্রযোজনার লক্ষ্য শুধুমাত্র মালয়ালম ভাষাভাষী দর্শক নয়, বরং সমগ্র ভারতীয় বাজার এবং আন্তর্জাতিক দর্শকগোষ্ঠীকে আকৃষ্ট করা। তাই চলচ্চিত্রগুলোকে প্যান-ইন্ডিয়ান এবং গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে সফল হতে সক্ষম এমন কন্টেন্ট-ড্রিভেন পদ্ধতিতে তৈরি করা হবে।
একজন পরিচিত ট্রেড বিশ্লেষক টারান আদর্শের টুইটে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই চলচ্চিত্রগুলোকে দেশীয় ও বিদেশি বাজারে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য করতে বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিষয়বস্তুর গভীরতা এবং বাণিজ্যিক সুলভতা একসাথে বজায় রাখলে বর্তমান প্যান-ইন্ডিয়ান সিনেমা দৃশ্যে সফলতা অর্জন সম্ভব।
প্যানোরামা স্টুডিওস, কুমার মঙ্গট পাথক ও অভিষেক পাথকের নেতৃত্বে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্রের পোর্টফোলিও গড়ে তুলেছে। তাদের কাজের মধ্যে জনপ্রিয় ‘প্যার কামা পঞ্চনামা’ সিরিজ এবং হিন্দি রিমেক ‘দ্রিশ্যাম’ উল্লেখযোগ্য, যা উভয়ই দর্শকের কাছ থেকে ভাল সাড়া পেয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে স্টুডিওটি ‘শয়তান’ এবং ‘রেইড ২’ মত চলচ্চিত্র মুক্তি দিয়ে তার বাজারে অবস্থান আরও মজবুত করেছে। এই ছবিগুলো উচ্চ বক্স অফিস সংগ্রহের পাশাপাশি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছে, যা প্যানোরামার উৎপাদন ক্ষমতা ও বাজারের প্রবণতা বুঝতে সক্ষমতা প্রদর্শন করে।
১০০ কোটি রুপি মূল্যের এই চুক্তি শিল্পের মধ্যে ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। মালয়ালমের সৃজনশীল শক্তি এবং হিন্দি বাজারের বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের সমন্বয় একটি শক্তিশালী মডেল তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চলচ্চিত্রগুলোতে বৈচিত্র্যময় ধারার মিশ্রণ এবং বিষয়বস্তুর গভীরতা বজায় রেখে, পাশাপাশি বৃহৎ দর্শকগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা



