27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিযুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা ঘোষণা

হোয়াইট হাউস বুধবারের একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার সম্ভাবনা বিবেচনা করছে। এই সিদ্ধান্তটি ইউরোপ ও কানাডার নেতাদের আর্কটিক অঞ্চলকে স্থানীয় জনগণের অধিকার বলে দাবি করার পর প্রকাশ পেয়েছে।

হোয়াইট হাউসের প্রকাশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের অধিগ্রহণকে জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন। ডেনমার্কের অংশ হিসেবে স্বীকৃত এই দ্বীপের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ পুনরায় প্রকাশ পেয়েছে।

ট্রাম্প ও তার পরামর্শদাতা দল এই কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন বিকল্পের উপর আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে সম্ভাব্যভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ব্যবহারও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যা পূর্বে প্রকাশিত হয়নি।

বিবিসি অনুসারে, ডেনমার্কের দীর্ঘদিনের মিত্রের ওপর এমন কোনো পদক্ষেপ ন্যাটো জোটের সংহতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং ট্রাম্প ও ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে ইতিমধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে। ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে এই বিষয়টি সংবেদনশীলতা সৃষ্টি করেছে।

গ্রিনল্যান্ডের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ প্রথমবার ২০১৯ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে প্রকাশ পায়। সাম্প্রতিক সময়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সঙ্গে যুক্ত একটি আন্তর্জাতিক ঘটনা এই বিষয়কে আবার আলোচনায় এনেছে, যদিও বিশদ তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

ট্রাম্প পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন যে পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকান আধিপত্য কখনো প্রশ্নের মুখে আসবে না। তিনি কলম্বিয়া ও কিউবার ওপরও চাপ বাড়িয়ে বলেছেন এবং যুক্তি দিয়েছেন যে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।

বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে প্রায় ৫৭,০০০ মানুষ বসবাস করে। স্থানীয় জনগণ বারবার প্রকাশ করেছে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না এবং তাদের স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখতে চায়।

ডেনমার্ক সরকার এখনো এই বিষয়ে কোনো সরকারি মন্তব্য করেনি, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পদক্ষেপের ফলে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় প্রভাবিত হতে পারে।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন যে যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে কূটনৈতিক চ্যানেল দিয়ে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করবে, তবে সামরিক বিকল্পের উল্লেখ একটি কঠোর অবস্থানকে নির্দেশ করে। ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবনা, ডেনমার্কের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা অথবা ন্যাটো ফোরামে বিষয়টি উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা যাবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments